মিঠুন চক্রবর্তী এবং শ্রীদেবী, বলিউডের এক সময়ের আলোচিত প্রেম কাহিনী, যার পেছনে নানা গুঞ্জন ছিল। সুজাতা মেহতা সম্প্রতি জানালেন, এই সম্পর্ক ছিল একেবারে পাগলের মতো, কিন্তু এর পরিণতি ছিল একেবারে বিধ্বংসী। এত বছর পর সুজাতা মেহতা বলেছেন, মিঠুনের জন্যই শ্রীদেবী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং বিচ্ছেদের পর তাকে তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করতে হয়েছিল।
১৯৮৫ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত মিঠুন চক্রবর্তী ও শ্রীদেবীর সম্পর্ক গোপনে চলেছিল, কিন্তু শ্রীদেবী তখন তাঁর ক্যারিয়ারের শীর্ষে পৌঁছেছেন, আর মিঠুন ছিলেন বিবাহিত—তার স্ত্রী যোগিতা বালি ছিলেন তার পাশে। তবে এই সম্পর্কের গুঞ্জন জানার পর যোগিতা বালি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। সুজাতা মেহতা বলেন, “শ্রীদেবী তখন মানসিকভাবে খুব ডিস্টার্বড ছিল। বিচ্ছেদের পর সে একেবারে ভেঙে পড়েছিল। তবে কাজের জায়গাটা ঠিক রেখেছিল।”
তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্যটি আসে যখন সুজাতা মেহতা বলেন, “এটা বলতে পারি, মিঠুন এবং শ্রীদেবী একে অপরকে পাগলের মতো ভালোবাসতেন। বিচ্ছেদের পর শ্রীদেবী কিছুই বলেনি, শুধু নিজের অন্ধকারে হারিয়ে গিয়েছিল। সে শুটিং সেটে এক কোণায় বসে থাকত, যেন তাকে কেউ জানে না।”
আরেকটি বড় প্রশ্ন উঠে আসে—মিঠুন কি শ্রীদেবীকে ত্যাগ করেছিলেন? শোনা গিয়েছিল তারা নাকি একে অপরকে বিয়ে করেছিলেন, যদিও এই বিষয়ে কখনও সোজা কিছু জানানো হয়নি। কিন্তু যে বিষয়টি সবচেয়ে উদ্বেগজনক, তা হলো যোগিতা বালির আত্মহত্যার চেষ্টা। সুজাতা মেহতা বলেন, “যতটুকু জানি, যোগিতা মিঠুনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রচন্ডভাবে কষ্ট পেয়েছিলেন এবং আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন। এই ঘটনায় শ্রীদেবী এবং মিঠুনের সম্পর্কের গভীরতা স্পষ্ট হয়।”
আরও পড়ুনঃ বছরের শেষ দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! সিগন্যাল ভেঙে মহিলাকে পিষে দিল L238
মিঠুনের জীবনের এই অন্ধকার অধ্যায় তখন পুরো বলিউডে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে মিঠুনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর শ্রীদেবী তার জীবন নতুন করে শুরু করেছিলেন, এবং অবশেষে বনি কাপুরের সঙ্গে তার সম্পর্কের সূত্রপাত হয়। এর পর তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং দুটি কন্যা—খুশি এবং জাহ্নবী কাপুরের মা-বাবা হন। আজও মিঠুন-শ্রীদেবীর সম্পর্ক নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়ে গেছে।





