শরীরে নেই এক ফালি সুতোও, পর্দার খলনায়িকার লাস্যময়ী রূপ দেখে চক্ষু ছানাবড়া নেটিজেনদের

বাংলা সিরিয়ালের খলনায়িকা বেশ পরিচিত তিনি। পর্ণা-সৃজনের মাঝে কাঁটা হয়ে দাঁড়াতে দিনরাত পরিশ্রম করেন‌। তাকে যে সবাই খুব ভালো চোখে দেখে এমনটা নয়, বলাই যায় ভক্তদের অভিশাপ কুড়ান দত্ত বাড়ির বড় বউমা মৌমিতা (Manosi Sengupta)। জি বাংলার নিম ফুলের মধু ধারাবাহিকে খলনায়িকার চরিত্রে দেখা যায় অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্তকে। টেলিভিশনের পর্দায় শাড়িতেই দর্শকরা তাঁকে দেখতে অভ্যস্ত কিন্তু, রিয়েল লাইফে হট, বোল্ড অভিনেত্রী মানসী (Manosi Sengupta)।

বাস্তবে তার একটি সন্তান রয়েছে, তাও শরীর ধরে রেখেছেন এই অভিনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট করলেই ঝড় ওঠে অনুরাগীদের মনে। এক সন্তানের মা মানসীর টোনড ফিগার প্রশংসনীয় সবক্ষেত্রেই। কখনও শর্টস কখনও বিকিনি উন্মুক্ত ক্লিভেজ দেখিয়ে চর্চায় থাকেন অভিনেত্রী। তবে এবার সাহসিকতার সীমা ছাড়িয়েছেন মানসী।

নিম ফুলের মধু সিরিয়ালের গল্প জমজমাট। সৃজনের লটারির টিকিট চুরি করে সেই টাকায় বড়লোক হয়েছে অয়ন আর মৌমিতা। জীবিত বাবার শ্রাদ্ধও করে ফেলেছে অয়ন। তা মেনে নেয়নি পর্ণা। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও অন্যায়কে শায়েস্তা করতে সর্বদা প্রস্তুত পর্ণা। তাই দেখেই এই সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় বাজিমাত করছে নিম ফুলের মধু। সাফল্যে বেশ খুশি গোটা টিম, টিআরপি রেটের পরেই টপলেস ছবি দিলেন মানসী। পর্দার খলনায়িকা ধরা দিলেন লাস্যময়ী অবতারে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করতেই চক্ষু ছানাবড়া নেটিজেনদের।

ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, জিনসের প্যান্ট পরে আছেন মানসী, আর বুকের কাছে ধরে রয়েছেন এক গোছা ফুল, সেই দিয়েই লজ্জা ঢেকেছেন নায়িকা। দু-হাত দিয়ে লাল-সাদা ফুল জাপটে ধরে রয়েছেন বুকের সাথে। ফুলের ফাঁকে সুস্পষ্ট নায়িকার ক্লিভেজ। ক্যাপশনে লিখেছেন, “Where flowers bloom , so does HOPE” অর্থাৎ, “যেখানে ফুল ফোটে আর আশাও”। ছবিতে তার গা জুড়ে কোনো অলঙ্কারের নেই। ঠোঁটে বোল্ড রেড লিপস্টিক আর খোলা চুলের হেয়ারস্টাইলে বাজিমাত মানসীর। অভিনেত্রী এর আগেও বহুবার নিজের ছবি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে ঝড় তুলেছেন। পর্দায় চরিত্রে জন্য বহুবার ট্রোলের মুখে পড়তে হলেও সেটা নিয়ে বিশেষ ভাবেন না অভিনেত্রী।

এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, “হয়ত আমি নর্ম্যাল ছবি পোস্ট করলাম, তার নীচে এসেও মানুষ নেতিবাচক মন্তব্য করে। আমি টানা পাঁচ বছর গ্রে শেডের চরিত্র করছি। তাই গা-সওয়া হয়ে গেছে। আমার ঘরের লোকজনদেরও শুনতে হয়। আমার এইগুলো বেশ মজাই লাগে। আমাকে নিয়ে মজার ট্রোল করলে, সেগুলো আমি নিজে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করি, কারণ আমার মনে হয় সেটা আমার পাওয়া।”

আরও অন্যান্য খবর