দাদার কীর্তিতে (Dadar kirti) তাপস পালের (Tapas pal) অভিনয় আজও ভোলে নি দর্শক। অথচ বহুল পরিচিত এই জনপ্রিয় অভিনেতার মেয়ে হয়েও চির উপেক্ষিত রয়ে গেলেন তাপস কন্যা সোহিনী পাল (Sohini pal)। তাপস পালের মত একজন বিখ্যাত অভিনেতার মেয়ে হয়েও সামান্য জনপ্রিয়তার নাগালও ছুঁতে পারেন নি তিনি। কেন ই বা নিজের রাজ্য ছেড়ে তাকে মুম্বাইতে চলে যেতে হয়-এইসব প্রশ্নের উত্তর আজো ভাবায় দর্শককে।
১৯৮৫-তে তাপস পাল বিয়ে করেন নন্দিনী পালকে একবছর পর ১৯৮৬ সালে জন্ম হয় তাপস নন্দিনীর সন্তান সোহিনীর। সোহিনী ও অভিনয় করতে চেয়েছিলেন তাই ২০০৪ সালে বো ব্যারাকস ফরএভারে অভিনয় করেছিলেন তিনি। এরপর কৌশিক গাঙ্গুলী পরিচালিত বাংলা ছবি জ্যাকপট এ তাকে দেখা যায়।
সলিলময় ঘোষের ‘একটি মেয়ে তমসি’ ছবিতেও কাজ করেন সোহিনী।
২০১০-এ অটোগ্রাফ ছবিতেও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন সোহিনী। তারপর আর বাংলাতে কোন কাজ করতে দেখা যায় নি তাকে। কারণ অটোগ্রাফে কাজ করবার পর তিনি মুম্বাইতে চলে যান। ছোট থেকে মহানগরী কলকাতাতে বেড়ে ওঠা সোহিনী মুম্বাইতে গিয়ে টেলিভিশন জগতে কাজ করতে থাকেন। চিড়িয়া ঘর, পার্টনার, আপকি আজানে সে- ইত্যাদি হিন্দি ধারাবাহিকে কাজ করার পাশাপাশি হাম তুম দুশমন দুশমন, আনোয়ার কা আজাব কিসসা ইত্যাদি হিন্দি ছবিতেও কাজ করেন তিনি।
মুম্বাইতে যখন নিজের একটা আলাদা পরিচিতি তৈরি করছিলেন তাপস কন্যা সোহিনী তখনই তার জীবনে নেমে এলো ভয়ংকর শোক। ২০২০-তে বাবার মৃত্যুর পর একলা মাকে সঙ্গ দিতে কলকাতায় চলে আসেন তিনি। কলকাতায় মাকে একা রেখে আবার মুম্বাইতে ফিরে যেতে চান নি তিনি যে কারণে ধীরে ধীরে তৈরি করা মুম্বাইতে গড়ে ওঠা তার কেরিয়ার শেষ হয়ে যায়।
এদিকে কলকাতাতে থেকে গেলেও টলিউডেও কোন কাজ পান নি সোহিনী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সোহিনী বলেন, তিনি মার্কেটিং করতে পারেন না, পি আর করতে পারেন না বলে তার কাছে কাজের সুযোগ আসে না। এখন অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও ভবিষ্যতে কখনো কাজের সুযোগ পেলে তিনি আবার অভিনয় করবেন বলেও জানান। কারণ অভিনয় করতেই তিনি ভালোবাসেন।





