টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে এক প্রবাদপ্রতিম নক্ষত্র রূপে আজও একই ভাবে বিরাজমান তিনি। মহানায়ক উত্তম কুমারের অভিনয় জৌলুস আজও মানুষের স্মৃতিতে একই ভাবেই ভেসে আছে।৭০ দশকে অভিনেতার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। তার নাচ, গান, অভিনয় দর্শকরা মুগ্ধ।
তবে মহানায়ক হওয়ার পথ একেবারেই সুগম ছিল না উত্তম কুমারের। বরং অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। অনেক পরিশ্রমের ফসল তার হাল না ছাড়া মানসিকতা তাকে প্রতিষ্ঠা করেছে।তবে শুরুর দিকে টানা ৭টি সিনেমা একেবারেই চলেনি। মুখ থুবড়ে পড়েছিল শুরুর দিকের সিনেমা। তবুও ময়দান ছেড়ে চলে যাননি তিনি। সাতটি ছবি ব্যর্থ হওয়ার পর আর ঘুরে তাকাতে হয়নি তাঁকে।
৭০ দশকের সময়কে সর্বদা মুক্তির দশক বলা হয়। একদিকে যেমন প্রবাদপ্রতিম অভিনেতা অভিনেত্রীদের উত্থান ঘটছে,তেমনি রাজনৈতিক ভাবে কলকাতার বুকে নকশাল আন্দোলন সংগঠিত হচ্ছে। সেই সময়কার রাজনৈতিক অবস্থার কথা সকলের জানা।
এই রাজনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হন খোদ উত্তম কুমার। একদিন নিউ থিয়েটারস স্টুডিওয় শ্যুটিং চলাকালীন মেক আপ রুমে ছিলেন অভিনেতা। আর ঠিক সেই সময় নকশালরা ভেতরে প্রবেশ করে।এখানেই শেষ না,একেবারে মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে হুমকি দেয় তারা। ঘটনার পরেই কলকাতা শহর ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। মুম্বাইতে পাড়ি দিয়েছিলেন অভিনেতা।
শুরুতে তিনি মুম্বাইয়ে তার পরিচিত অভিনেতা অভি ভট্টাচার্য্যর বাড়িতে ছিলেন। কিছুদিন পরে অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। এক প্রকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কলকাতা আর ফিরবেন না। পরে বিশ্বস্ত পরিচিত বন্ধু ও সহকর্মীদের আশ্বাসে তিনি কলকাতায় ফেরেন।





