কিভাবে সেই হতাশা থেকে নিজেকে বের করে এনেছিলেন। শিখিয়েছিলেন ছেলেকে। জীবনদায়ী ওষুধের মতো কাজ করেছিল সেই গল্প। শিখিয়েছিল জীবনে হেরে যাওয়া নয়, লড়াই করে বেঁচে থাকার নামই জীবন। বেঁচে থাকার পাঠ পড়িয়েছিল ‘ছিছোড়ে’। আর দর্শককে সেই পাঠ মন্ত্রমুগ্ধের মতো বসে দেখতে বাধ্য করেছিলেন অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত।
সিনেমায় শিখিয়েছিলেন বেঁচে থাকতে, লড়াই করতে। কিন্তু আজ নিজেই হঠাৎ লড়াইয়ের ময়দানে ছেড়ে চলে গেলেন।
আপনিই তো শিখিয়েছিলেন, কীভাবে বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশন কাটিয়ে উঠতে হয়! কীভাবে আত্মহত্যার চিন্তা থেকে নিজেকে বের করে আনা যায়।
কিন্তু কেনও নিজেকে বের করতে পারলেন না সুশান্ত আপনি?
জানেন হয়ত কত ছেলেমেয়েই সেলুলয়েডের পর্দায় আপনার কথা শুনেই বাঁচার রসদ খুঁজে পেয়েছিল। আপনার বলা ওই কয়েকটা লাইনই হয়ত দীর্ঘায়িত করেছিল কারোর জীবন! হয়ত বাঁচিয়ে দিয়েছিল ভবিষ্যতের কোনও উজ্জ্বল তারাকে। হয়তো কোল শুন্য করেনি কোনও মায়ের।
কিন্তু আপনি এমনটা কেনও করলেন সুশান্ত? অজস্র প্রশ্নের উত্তর কোথায়!
‘ছিছোড়ে’-সিনেমার মুখ্য চরিত্রে সুশান্তই আপনিই ডিপ্রেশনের হাত থেকে বাঁচার উপায় বাতলেছিলেন। সিনেমায় নিজের ছেলেকে বলেছিলেন, ‘বেটা, তোমার রেজাল্ট ঠিক করে না, তুমি পরাজিত কিনা, তোমার চেষ্টা ঠিক করে। আর চেষ্টা তো এখনও অনেক করেছিস!’
পর্দার সেই অনিরুদ্ধের মৃত্যুর খবরেই আজ বিহ্বল ভারতবাসী।
বড্ড প্রিয় ছিলেন যে আপনি! এই সুশান্তকে যে আমরা চিনতাম না। আপনারই লড়াই করার কথা ছিল! হয়ত বা জীবনে শান্তির দাম সবথেকে দামী, প্রাণের থেকেও বেশি হয়ত….. ওপারে ভালো থাকবেন অভিনেতা।






