জি বাংলায় নতুন ধারাবাহিক ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’-তে (Kon Gopone Mon Bheseche) অভিনয় করছেন নতুন জুটি রণজয় বিষ্ণু, শ্বেতা ভট্টাচার্য। প্রথমবার অনিকেত- শ্যামলী জুটিকে বেশ পছন্দ করেছেন দর্শকরা। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ের চরিত্রে শ্যামলীর লুক প্রথম থেকেই নজর কেড়েছে সকলের। এবার ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’ শুটিং ফ্লোরেই কেঁদে ফেললেন শ্বেতা। কী এমন হল যাতে শুটিং ফ্লোরে চোখের জল আটকাতে পারেননি তিনি। তবে কী মন ভেঙেছে তার।
সিরিয়ালে দেখা যায় একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত মেয়ে প্রথমবার একা ট্রেন জার্নির এক অভিজ্ঞতা। কলকাতায় এসে ভয়ানক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে সে। ভুলবশত পৌঁছে যায় নিষিদ্ধপল্লীতে। সেই সমস্যায় শ্যামলীকে বাঁচাতে আসেন গল্পের নায়ক অনিকেত। নিজেকে বাঁচাতে অনিকেতের হাত ধরেন শ্যামলী। এই প্রথম নায়ক নায়িকার আলাপ হয়।
শ্যামলীকে বারবার চক্রান্তে জড়াতে ফাঁদ পাতে অরুনাভ আর তৃষা। ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’-তে নতুন প্রোমো দর্শকদের সামনে উঠে এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে ফের আরও একবার অরুনাভ তৃষার চক্রান্ত থেকে অনিকেতকে রক্ষা করতে চলে এসেছে শ্যামলী। অনিকেতকে বাঁচিয়ে শ্বশুর বাড়িতে নাম করছে শ্যামলী। আর ওদিকে প্ল্যান ভেস্তে যাচ্ছে অরুনাভ-তৃষার। যে কোন চক্রান্ত থেকে অনিকেতকে বাঁচাতে ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে শ্যামলী।
তবে শুটিং করতে করতে হঠাৎ কি হল শ্বেতার। শুটিংয়ের মাঝেই কেঁদে ভাসালেন তিনি। হঠাৎ এমন কি হয়েছে যাতে শুটিংয়ের মাঝেই কাঁদতে হল তাকে। দর্শকরা চিন্তিত তাকে। শ্যামলীর লুকে সেটের মাঝে কেঁদে ভাসালেন শ্বেতা।
শুটিং নয় বাস্তবেই কাঁদছেন অভিনেত্রী। শুটিং সেটে কারো সাথে কি গোলমাল নাকি প্রিয়জনের থেকে আঘাত পেয়েছেন। এসব বোঝার আগেই ফের ডাক পড়লো শুটিংয়ে। কর্মরত অভিনেত্রীর মতো পালন করলেন সেই কথা। তবে কিছুই না তার ভালো লাগছে না। শুটিং করে করে তিনি ক্লান্ত। তাড়াতাড়ি প্যাকআপও পাচ্ছেন না। তাই আবদার করছেন পরিচালককে। উপায় নেই চলল কাজ। কাঁদা হল বৃথা।





