কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় কী কী কাজ একেবারেই করা বারণ, জেনে নিন

আজ লক্ষ্মীপুজো। সন্ধ্যে নামলেই শুরু হবে পূর্ণিমা তিথি। ঘরে ঘরে পূজিত হবেন মা লক্ষ্মী। গোটা দেশে দীপাবলির দিন লক্ষ্মী পুজো করা হয়। তবে বাঙালির ঘরে পূর্ণিমার তিথিতে মা লক্ষ্মী পূজিত হন কোজাগরী রূপে। কোথাও ঘটে, কোথাও পটে আবার কোথাও মূর্তি এনে করা হয় লক্ষ্মীদেবীর বন্দনা। তবে এই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় কিছু কিছু কাজ ভুলেও একদম করবেন না।

কী সেগুলো? দেখে নিন

  • লক্ষ্মী দেবীকে কোনও ভাবে সাদা রঙের ফুল দিয়ে পুজো করা যাবে না। সাদা রঙ ছাড়া লাল, হলুদ, গোলাপি রঙের ফুল ব্যবহার করা যাবে।
  • মনে করা হয়, শ্রীলক্ষ্মীর পূজনে অসন্তুষ্ট হন শ্রীলক্ষ্মী। কথিত আছে, তুলসির সঙ্গে শালগ্রাম শিলার বিবাহ হয়। শালগ্রাম গ্রাম শিলা নারায়ণের প্রতিভূ। যেহেতু শ্রীলক্ষ্মীও বিষ্ণুপত্নী, তাই এই পুজোয় তুলসির ব্যবহার চলে না।
  • মা লক্ষ্মীর পুজোয় সাদা ফুল যেমন ব্যবহার করা যায় না, তেমনই আসনে সাদা বা কালো কাপড় পাতার নিয়ম নেই। ব্যবহার করা যেতে পারে লাল, গোলাপি প্রভৃতি রঙের কাপড়। বিশ্বাস, মা লক্ষ্মী এতে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন।
  • লক্ষ্মী পুজোয় তোলা চাল থেকে অন্য কাউকে চাল দিতে নেই।
  • পুজোর পর মন্দির বা ঠাকুর ঘরের দক্ষিণমুখে প্রসাদ অর্পণ করার কথা বলে থাকেন অনেকে।  লক্ষ্মীপুজোর প্রসাদে না বলতে নেই। অল্প হলেও মুখে তুলতে হয়।
  • ঢাক – ঢোল- কাঁসর ঘণ্টা লক্ষ্মীপুজোয় বাজানো যাবে না। অত্যধিক শব্দ পছন্দ করেন না শ্রীলক্ষ্মী। সব পুজোতেই বাদ্যি বাজানো হয়। কিন্তু মা লক্ষ্মীর পুজোয় কাঁসর ঘণ্টা বাজালে দেবীর অসন্তুষ্ট হন বলে মনে করা হয়।
  • লক্ষ্মীপুজো করার সময় কোনওভাবেই কালো পোশাক পরা যাবে না।

বলা হয় যে বাড়িতে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো করা হয়, সেই বাড়িতে মা লক্ষ্মী বসবাস থাকেন। ঘরে সুখ-শান্তি বজায় থাকে। এও বলা হয় যে কোজাগরী লক্ষ্মী দেবীর পুজো করলে ধনসম্পত্তি অক্ষয় হয়।

RELATED Articles