দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে লেগেছে হাহাকার। কোনও হাসপাতালে বেড নেই, তো কোথাও আবার অক্সিজেনের অভাব। এর জেরে প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। এর উপর মন্থর গতিতে চলা টিকাকরণ প্রক্রিয়া মানুষের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
আরও পড়ুন- এক ডোজেই বাজিমাত! করোনার নতুন টিকা ‘স্পুটনিক লাইট’ নিয়ে আসল রাশিয়া
এই অবস্থাতে লকডাউনের পথে হেঁটেছে একাধিক রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও রাজ্যে আংশিক লকডাউন জারি করেছেন। আপাতত ১৪ দিনের জন্য বন্ধ করা হয়েছে সমস্ত লোকাল ট্রেন। বাজার-দোকান খোলা নিয়েও নয়া গাইডলাইন জারি করা হয়েছে। মাস্ক পরা আবশ্যক করা হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিচ্ছেন নিজেদের শরীরে ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য। কিন্তু কীভাবে বাড়বে সেই ইমিউনিটি, দেখে নিন-
স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণঃ স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণের অভ্যেস করোনা পরিস্থিতিতে আপনাকে ভালো রাখতে সাহায্য করবে। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো এই সময়। যে খাবার সহজপাচ্য সেটা খাওয়া ভালো।
পর্যাপ্ত ঘুমঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। পর্যাপ্ত ঘুম আমাদের টিসু, মাসেলের সমস্যা মেরামত করে। শরীরকে চাঙ্গা করে তোলে। তাই প্রতিদিন নিয়মিত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গভীর ঘুমের প্রয়োজন। এই অভ্যেস আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমাবে।
দারচিনিঃ দারচিনি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সম্বৃদ্ধ ও এর ইনফেকশন প্রতিরোধ ক্ষমতাও আছে। রোজকার চায়ের কাপে, বা রোজের রান্না বান্নার ক্ষেত্রে ব্যবহার করুন দারচিনি। অথবা দারচিনি গুঁড়ো মধু দিয়ে খেয়ে পারেন। শুষ্ক কফ ও গলার সমস্যার ক্ষেত্রেও উপকারী।
হলুদ খানঃ এই সময় কাঁচা হলুদ খাওয়া যেতে পারে। কাঁচা হলুদ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সক্ষম। আর হলুদ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও, ফলে তা শরীরের পক্ষে উপকারী।
আদা ও পাতিলেবুঃ পাতিলেবুতে থাকে ভিটামিন সি, যা এই সময় শরীরের পক্ষে খুবই জরুরি। আর আদাতে তাঁকে জিঞ্জেরোল নামের এক পদার্থ যা ইনফেকশন প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর জেরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে।





