Bangladesh Government is Ready to have a Discussion with Job Quota Protesters: বিগত কিছুদিন ধরে বাংলাদেশে কার্যত আগুন জ্বলছে। সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার দাবীতে সরব পড়ুয়ারা। সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের দাবীতে আন্দোলন অব্যাহত প্রতিবেশি রাষ্ট্রে। কোটা সংস্কারের দাবীতে চলছে আন্দোলন। ইতিমধ্যেই এই আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে মৃত্যু হয়েছে একাধিক পড়ুয়ার। আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবার এই আন্দোলনে সুর নরম করল বাংলাদেশ সরকার (Bangladesh Government is Ready to have a Discussion with Job Quota Protesters)।
আজ, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জাইয়েছেন, সরকার কোটা সংস্কারের পক্ষে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতেও রাজি হয়েছে সরকার। আন্দোলনকারীরা যখন চাইবে, তখনই আলোচনা হতে পারে বলে জানালেন আইনমন্ত্রী (Bangladesh Government is Ready to have a Discussion with Job Quota Protesters)।
গতকাল, বুধবার এই আন্দোলন নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই আন্দোলনে যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সেই ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের আশ্বাস দেন তিনি। আবেদন করেছিলেন যাতে সুপ্রিম কোর্টের রায় আসা পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা ধৈর্য ধরে।
এবার আজ, বৃহস্পতিবার, জাতীয় সংসদের ট্যানেলে জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, “কোটা সংস্কারে আমরা নীতিগতভাবে ঐকমত্য পোষণ করি। যে কোনও সময় এই নিয়ে আমরা পড়ুয়াদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি আছি” (Bangladesh Government is Ready to have a Discussion with Job Quota Protesters)।
এদিন আইনমন্ত্রী জানান, সরকার কোটা সংস্কার করার পক্ষে। কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে আগামী ৭ অগাস্ট শুনানির দিন নির্ধারিত রয়েছে। আইনমন্ত্রী এদিন এও জানান, শুনানির সময় এগিয়ে আনার জন্য আগামী রবিবার আদালতে সরকার পক্ষ আবেদন জানাবেন।
এদিন তিনি বলেন, “আদালতে যখন মামলার শুনানি শুরু হবে তখন সরকার পক্ষ কোটার ব্যাপারে একটা প্রস্তাব দেবে। এবং, আমার মনে হয় আমরা যেহেতু সংস্কারের পক্ষে, তাই কোটা সংস্কার করার জন্য প্রস্তাব দেব। বলতে পারেন আমরা কোটা সংস্কারের পক্ষে” (Bangladesh Government is Ready to have a Discussion with Job Quota Protesters)।
প্রসঙ্গত, কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন গত মঙ্গলবার বাংলাদেশের নানান জায়গায় সংঘর্ষে ছয়জন নিহত হয়েছেন। আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই বিষয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানকে দিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে (Bangladesh Government is Ready to have a Discussion with Job Quota Protesters)। জানা গিয়েছে, গতকাল, বুধবার রাতে একজন ও বৃহস্পতিবার দুই পড়ুয়াসহ তিনজন মারা গিয়েছে প্রতিবেশী দেশে এই আন্দোলনের জেরে।





