Rekha Patra filed case against Haji Nurul Islam: সদ্য শেষ হয়েছে লোকসভা নির্বাচন। বসিরহাট কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলাম। এবার সেই জয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র (Rekha Patra filed case against Haji Nurul Islam)। তাঁর দাবী, ‘অন্যায় হয়েছে। আমি মানব না”। বসিরহাটে পুনর্নির্বাচনের দাবী তুলেছেন তিনি।
কী অভিযোগ রেখার (Rekha Patra filed case against Haji Nurul Islam)?
হাজি নুরুল ইসলাম ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বসিরহাটের সাংসদ পদে ছিলেন। ২০১৪ ও ২০১৯ সালে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নি। ফের ২০২৪ সালে তাঁকে নির্বাচনের টিকিট দেয় তৃণমূল। তিনি যখন মনোনয়ন পেশ করেন, এই সময় বিজেপি মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় দাবী করেছিলেন, হাজি নুরুল ইসলাম মনোনয়নের সময় নো ডিউ সার্টিফিকেট দেন নি (Rekha Patra filed case against Haji Nurul Islam)।
তিনি সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছিলেন, ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি সাংসদ ছিলেন। সেই সময় তাঁর বাড়ির বিদ্যুতের বিল, বাড়িঘর সংক্রান্ত সমস্ত বিল মেটানো রয়েছে কী না, তা উল্লেখ করতে হয় মনোনয়নে। কিন্তু হাজি নুরুল ইসলাম তা করেন নি। এই একই অভিযোগ তুলেছিলেন রেখা পাত্রও। তিনিও তৃণমূল প্রার্থী প্রার্থীপদ বাতিলের দাবী তুলেছিলেন (Rekha Patra filed case against Haji Nurul Islam)।
এবার রেখা পাত্র দ্বারস্থ হলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Rekha Patra filed case against Haji Nurul Islam)। গতকাল, মঙ্গলবার বসিরহাটের নির্বাচন বাতিলের দাবী তুলে আদালতে মামলা করেন তিনি। হাজি নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন রেখা পাত্র। তাঁর কথায়, “মনোনয়নে ভুল তথ্য দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। এটা অন্যায়। আমি মেনে নেব না”।
বলে রাখি, সন্দেশখালি কাণ্ডের অন্যতম প্রধান প্রতিবাদী মুখ ছিলেন রেখা পাত্র। সেই কারণে তাঁকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড় করিয়েছিল বিজেপি। তাঁর সঙ্গে ফোনে কথাও বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উৎসাহিত করেছিলেন তাঁকে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫৪৭ ভোটে রেখা পাত্রকে হারান তৃণমূলের হাজি নুরুল ইসলাম। এবার তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে গেলেন রেখা পাত্র (Rekha Patra filed case against Haji Nurul Islam)।





