সাল ২০১৮। আজ থেকে প্রায় দু’বছর আগে রাজ্যের তথ্য প্রযুক্তি শিল্পে নয়া দিগন্ত খোলার আশ্বাস দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। নিউটাউনের ১০০ একর জমিতে তৈরি হবে ‘সিলিকন ভ্যালি’ প্রতিশ্রুতি ছিল এমনই।
উল্লেখ্য, পূর্ব ভারতের বৃহত্তম আইটি হাবের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর কেটে গেছে টানা দুটি বছর। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে উন্মোচিত নিউটাউনের এই নয়া তথ্যপ্রযুক্তি তালুকে এখন দেখা মেলে বেশকিছু গরুর।
মনের আনন্দে শীতের রোদ পোহাতে পোহাতে পুরু ঘাসে হেঁটে বেড়াচ্ছে তারা। ১০ হাজার কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া জমিতে বেড়ে ওঠা বড় বড় ঘাস খাচ্ছে তারা।
বাংলায় কখনও কলকাতা লন্ডন হয় তো কখনও আমেরিকা। এখনও পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইটি হাব বললে প্রথমেই যে নামটা মাথায় আসে তা হল ক্যালিফোর্নিয়ার ‘সিলিকন ভ্যালি।’
বিশ্বের সবচাইতে বড় আইটি হাবের আদলেই নিউটাউনে হওয়ার কথা ছিল ‘সিলিকন ভ্যালি এশিয়া।’
নিউটাউনের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় দেখা মেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যানার সম্বলিত ‘সিলিকন ভ্যালির।’ কিন্তু একটু উঁকি দিলেই দেখা যায় ধুঁধুঁ করছে ফাঁকা জমিতে গরু ছাগল চড়ছে। অথচ যেখানে শিল্প প্রতিষ্ঠা হওয়ার কথা ছিল। দু বছর পেরিয়ে যা আজও অধরা।
২০১৮-১৯ সালে অর্থবর্ষের বাজেট পেশের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই আইটিহাব গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করেন। সেইসময়ই তিনি ঘোষণা করেছিন রাজারহাটে ১০০ একর জমি দেওয়া হবে। সেখানে তথ্যপ্রযুক্তি হাব হবে। বেঙ্গালুরুর ধাঁচেই এবার রাজারহাটে তৈরি হবে আইটি হাব। পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানিয়েছিল ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজ্যে ১০ হাজার কর্মসংস্থান হবে।
অন্যান্য শিল্পের মতো মমতা সরকারের এই প্রতিশ্রুতিও বর্তমান অবস্থার পর্যবেক্ষণে ফাঁপা বলেই মনে হচ্ছে।
হুগলির সিঙুরে টাটাদের ঢুকতে না দিয়ে বাংলায় শিল্প বন্ধ করে মসনদ হাসিল করেছিলেন বর্তমান বঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা দিয়েছিলেন তাঁর আমলে শিল্প হবে। কিন্তু চপ শিল্প ভিন্ন এই রাজ্যে অন্য কোনও শিল্পের দেখা মেলাই যে বড় ভার।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!