Smoking in the Metro: পথে ঘাটের রাস্তায় রিলস বানাতে আমরা অনেকেই দেখে থাকি। মেট্রোতে যেখানে ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার নিষিদ্ধ, সেখানে রিলস তৈরি হচ্ছে। “কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়” গানটি এখন সবথেকে বেশি প্রযোজ্য মেট্রোর (Metro) জন্য। কখনও নাচানাচি, কখনও রিলস বানাতে গিয়ে প্রকাশ্যেই ঘনিষ্ঠ হওয়া—মেট্রোয় প্রতিনিয়তই কিছু না কিছু ঘটে চলেছে। এবার ভিড় মেট্রোয় সিটে বসে বিড়ি খেতে দেখা গেল এক বৃদ্ধকে (Smoking in the Metro)। আশেপাশের লোকজনেরাও নিরুত্তাপ ছিলেন। মনের সুখে বিড়িতে টান দিতে দিতেই গেলেন ওই ব্যক্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ভিডিও।
মেট্রোয় (Metro) ধূমপান নিষিদ্ধ। এ কথা সকলের জানা। কিন্তু মেট্রোতেই বসে এক বৃদ্ধকে বিড়ি খেতে দেখা গেল এবার (Smoking in the Metro)। এই ঘটনাটি দিল্লি মেট্রোর। সেখানে এক বয়স্ক ব্যক্তিকে ভিড় মেট্রোয় বসে বিড়ি খেতে দেখা গেল। এসি মেট্রো, বদ্ধ জায়গায় কিছুর পরোয়া না করে বিড়ি খাচ্ছেন। আশেপাশের যাত্রীদের অসুবিধা হতে পারে, এই কথা একবারও ভাবেননি ওই ব্যক্তি। তিনি নিজের মনে বিড়িতে টান দিতে থাকেন।
অন্যদিকে, পাশে বসা যাত্রীরাও বিশেষ প্রতিবাদ করেননি। তারা যে যার মতোই বসেছিলেন। ওই বৃদ্ধকে মেট্রোয় ধূমপান করতেও আটকাননি। প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়। এর আগে, গত বছরও দিল্লি মেট্রোতেই (Metro) এক ব্যক্তিকে বিড়ি খেতে দেখা গিয়েছিল (Smoking in the Metro)। সেই সময় ওই ব্যক্তিকে আটকেছিলেন এক যাত্রী।
মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ (Metro) এবং অন্যান্য যাত্রীদের জন্য এটি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মেট্রোর ভিতরে নিয়ম লঙ্ঘনের এমন ঘটনা যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং স্বাচ্ছন্দ্যের প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জিং হচ্ছে। আইন অনুযায়ী, মেট্রোর ভেতরে ধূমপান করা নিষিদ্ধ এবং এটি একটি দণ্ডনীয় অপরাধ (Smoking in the Metro)।
মেট্রো রেল (Metro) কর্তৃপক্ষকে এই ধরনের ঘটনা যাতে না হয়, তার জন্য আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। যাত্রীদেরও সচেতন থাকতে হবে এবং এমন কোনো ঘটনা ঘটলে তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ জানানো উচিত। মেট্রো রেলের নিরাপত্তা কর্মীদের সজাগ থাকা প্রয়োজন। যাত্রীরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করলে ও আইন মানলে মেট্রো ভ্রমণ নিরাপদ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় হতে পারে।





