পথে ঘাটের রাস্তায় রিলস বানাতে আমরা অনেকেই দেখে থাকি। তবে আর রাস্তায় নয় একেবারে মেট্রোর ভিতরে। মেট্রোতে যেখানে ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার নিষিদ্ধ, সেখানে মেট্রোর ভেতরে কিনা হচ্ছে রিলস তৈরি। মেট্রোর ভেতরে আবির মেখে অশ্লীল ভিডিও করার অভিযোগ উঠেছে দুই মহিলার বিরুদ্ধে। ভিডিও দেখে শুরু হয়েছে কটাক্ষ। সম্প্রতি মেট্রোতে দুই মহিলা হোলি খেলার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে এসেছে। এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশের সাথে সাথেই ভাইরাল হয়ে যায়। এই ভিডিওর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান নেট নাগরিকরা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ট্র্যাডিশনাল পোশাক পরা দুই মহিলা মেট্রোর মধ্যে বসে, একে অপরের গায়ে রং লাগাচ্ছেন। মেট্রোতে বসে থাকা মানুষ দুই মহিলার এই আচরণ দেখতে থাকে । ভিডিওতে রাম-লীলা ছবির ‘আঙ্গ লাগা দে’ গানটিও চলছে। ঘটনাটি কলকাতার নয় ঘটনাটি ঘটেছে মেট্রো সিটি দিল্লির। দিলের মেট্রোর মধ্যে বসে দোল খেলছেন দুই মহিলা যা দেখে হতভাগ নেট পাড়া।
এই ভিডিওতে নেট নাগরিকের কমেন্টের বন্যা বয়ে গেছে। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “এই ভিডিওটি দেখার পর আমি লজ্জিত হয়েছি! ভাবুন তো পেছনে বসে থাকা মানুষের কী অবস্থা হবে।” অন্য একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “কোন আইনের প্রয়োজন নেই। মাত্র ১৫ সেকেন্ডের জন্য ১ লাখ টাকা জরিমানা যথেষ্ট।”
এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসা মাত্রই ভাইরাল হয়ে গেছে। ডিএমআরসি ও এই ভিডিওটি দেখে বিবৃতি জারি করেছে। ডিএমআরসি তার বিবৃতিতে বলেছে, “প্রথম মনে হচ্ছে এই ভিডিওটি মেট্রোর ভিতরেই শুট করা হয়েছে, তবে এর সত্যতা সন্দেহজনক। সম্ভবত এই ভিডিওটি তৈরিতে গভীর নকল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে।” পিটিআই-এর মতে, ডিএমআরসি বলছে যে এই ভিডিওটি আসল নাও হতে পারে তবে এটি “ডিপফেক” প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হতে পারে।
ডিএমআরআই আবেদন জানিয়েছেন যে এটি মেট্রোতে রিল তৈরি না করার জন্য এবং অন্যান্য যাত্রীদের সমস্যা হতে পারে এমন কোনও পদক্ষেপ এড়াতে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করছে। তিনি জনগণের কাছে আবেদনও করেছেন যে তারা যদি কোনও ব্যক্তিকে এই ধরনের শুটিং করতে দেখেন তবে তারা অবিলম্বে ডিএমআরআইকে অবহিত করুন।





