অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর আর স্কুলমুখো হয়নি সে। মাঝে মধ্যেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যেত। আবার দিন দুই-তিন পর ফিরে আসত। ধরেছিল গাঁ’জা’র নেশা। বকাঝকা করে কোনও লাভ হয়নি। এই কারণে ১৫ বছরের ছেলেকে গাঁ’জা’র নেশা ছাড়াতে ‘উপযুক্ত’ শাস্তি দিলেন মা।
গতকাল সোমবার ছেলে ঘরে ফিরতেই তাকে আষ্টেপৃষ্ঠে গাছের সঙ্গে বেঁধে দিলেন মা। তারপর ছেলের চোখে-মুখে লাগিয়ে দিলেন লঙ্কাগুঁড়ো। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার হায়দ্রাবাদের সূর্যপেট জেলার কোডাডের গাঁধীনগর এলাকায়।
নেট দুনিয়ায় তুমুল ভাইরাল হয়েছে এই ঘটনার ভিডিওটি। মায়ের এমন শাসনের ভরম দেখে দু’ভাগে বিভক্ত হয়েছেন নেটিজেনরা। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে গাছে পিছমোড়া করে বাঁধা অবস্থায় ছেলের চোখে-মুখে লঙ্কার গুঁড়ো মাখিয়ে দিচ্ছেন মা। ছেলেটি তীব্র চিৎকার করতে করতে হাত দিয়ে মুখ ঢাকতে গেলে আত্মীয়রা তার হাত টেনে ধরেন। কেউই তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেননি।
এই ভিডিও দেখে এক এক নেটিজেনের এক একরকম প্রতিক্রিয়া। কারোর মোটে, ছেলে অপরাধ করেছে ঠিকই, কিন্তু এমন শাসনে কোনও কাজ হবে না। কেউ আবার বলেছেন যে ছেলেটিকে ডাক্তার দেখিয়ে নেশা ছাড়ানোর ব্যবস্থা করা উচিত ছিল। তো আবার কেউ লিখেছেন যে এই বয়সে এমন নেশা, একেবারে উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছেন মা।
তবে ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন ওই এলাকার থানার পুলিশ। তাঁর মতে, মায়ের এমন করা কোনওভাবেই উচিত হয়নি। তিনি বলেন, “১৫ বছরের ছেলে নেশার কবলে পড়েছে। ওকে ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দিয়েছিলাম বাবা-মায়েদের আরও সজাগ হওয়া উচিত”।





