মানুষ নিজেকে আরও বেশি সুন্দর করে তোলার জন্য নিজের শরীর নিয়ে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে থাকে। নানান জায়গায় পিয়ার্সিং করানো থেকে শুরু করে ট্যাটু, প্লাস্টিক সার্জারি, কী না করে না মানুষ নিজের রূপ বদলাতে। কিন্তু ওই যে কথায় রয়েছে, ‘খোদার উপর খোদদারি করা যায় না’। এবার নিজের রূপকে আলাদা করে তুলতে বেশ বিপদে পড়তে হল এক যুবককে।
নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলতে বা নিজের শখ পূরণ করতে নিজের শরীরের উপর নানান গবেষণা চালায় মানুষ। তেমনই কিছু করতে চেয়েছিলেন ব্রাজিলের বছর ২৮-এর পেড্রো কেনসার। কিন্তু তাতে হিতের বিপরীতই ঘটল তাঁর সঙ্গে।
নিজের রূপকে বদলানোর জন্য একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন পেড্রো নিজের শরীরের উপর। আর তা করতে করতে এখন তিনি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছেন, যাতে মানুষ নয় এক দানব রূপ ধারন করে ফেলেছেন তিনি। মাথায় গজিয়ে ফেলেছেন শিংও।
এখন পেড্রোর ঘরে ঢুকলে বা তাঁকে দেখলে লোকজন রীতিমতো আঁতকে ওঠেন। তবে তাতে পেড্রোর অবশ্য কিছুই যায় আসে না। তার মুখ এবং শরীরের সর্বত্রই রয়েছে ট্যাটু। পেড্রো প্রথম নিজের হাতে মায়ের নাম ট্যাটু করিয়েছিলেন। বর্তমানে সারা শরীরের ১০০ শতাংশই ট্যাটু দিয়ে ঢেকে ফেলতে চান তিনি। পুরো মুখে নীল রঙের ট্যাটু করিয়েছেন তিনি।
এই পর্যন্ত তাও ঠিকই ছিল। কিন্তু নিজের সেই রূপকে আরও বেশি ডেভিলে পরিণত করতে মুখের পাশাপাশি চোখের সাদা অংশেও ট্যাটু করিয়েছেন পেড্রো। শুধু তাই-ই নয়, মাথার খুলিতে ড্রিল করিয়ে বসিয়েছেন ধাতব শিং। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি নিজের জিভ কেটে দু’ভাগ করে ফেলেছেন। এবার তাঁর কানের পালা।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে নিজের কানই কেটে ফেলেছেন দুই সন্তানের বাবা পেড্রো। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বারবার তাঁর শরীরে এত পরীক্ষা নিরীক্ষার জেরে শরীরের বিপদ ডেকে আনছেন পেড্রো। চোখে করা রঙিন ট্যাটু অন্ধত্ব ডেকে আনতে পারে। পেড্রোর এই কর্মকাণ্ড দেখে হতবাক নেটিজেনরা।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!