কখনও তাদের দেখা যায় রাস্তার মাঝে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তো কখনও আবার দেখা যায় দল বেঁধে রাস্তা দিয়ে হাঁটছে। তাদের এই রাস্তায় চলাফেরার জেরে সাধারণ মানুষের যেন রাস্তা দয়ে চলাফেরা দায় হয়ে উঠেছে। একটি বেগতিক হলেই যে তাদের বড় বড় শিংয়ের গুঁতো খেতে হবে। এবার এই কারণে রাস্তায় নামলেন পুরসভার করতারা।
বালুরঘাট শহরের রাস্তায় রাস্তায় ষাঁড়-গরুর অবাধে বিচরণ যেন মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে। শহরের ব্যস্ত রাস্তা তারাই দখল করে রেখেছে। দিনদিন বেড়েই চলেছে তাদের সংখ্যা। আর এভাবে রাস্তা আটকে থাকায় বাড়ছে যানজট। এমনকি, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনাও। রাস্তা দিয়ে চলাফেরায় অসুবিধার মুখে পড়ছেন বয়স্করা বা সাইকেল-স্কুটি নিয়ে চলাফেরা করা লোকজন।
জানা গিয়েছে, বালুরঘাট শহরে সম্প্রতি বেশ কয়েকবার ষাঁড় ও গরুর গুঁতোয় একাধিক এলাকাবাসীর জখম হওয়ার খবরও মিলেছে। এই নিয়ে গবাদি পশুর মালিকদের বারবার সতর্ক করা হয়েছে কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। আর এমন গবাদি পশুদের রাস্তায় টহলের জেরে বিপদের মুখে পড়ছেন পথচারিরা।
এবার সেই কারণেই রাস্তায় নামলেন প্রশাসনিক কর্তারা। গতকাল, সোমবার গভীর রাতে বালুরঘাট শহরে অভিযান চালান বালুরঘট পুরসভা প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা। রাস্তায় ঘুরে ঘুরে ষাঁড়-গরু ধরপাকড় করেন তারা। এউ অভিযানে সামিল হয়েছিলেন বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক কুমার মিত্র, এমসিআইসি বিপুল কান্তি ঘোষ-সহ পুরসভার অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা।
জানা গিয়েছে, বালুরঘাট থানা মোড় থেকে এই গবাদি পশু ধরপাকড় অভিযান শুরু করে পুরসভার কর্তারা। মধ্যরাত পর্যন্ত চলে এই অভিযান। বেশ কয়েকটি গরু ধরা হয়েছে বলে খবর। এই গরুর মালিকদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যানের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী দিনেও এমন ধরপাকড় চলবে।





