‘আর কিছুক্ষণ দেরি হলেই আর বাঁচানো যেত না, মমতাকে গুলি করে মারার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল’, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে সন্ত্রাসের কথা বললেন ফিরহাদ

Firhad Hakim Recalled There Was a Conspiracy to Shoot Mamata Banerjee: আজ ২১ জুলাই। এদিন ধর্মতলা চত্বরে গোটাটা জুড়েই শুধু তৃণমূল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বন্দনা। তৃণমূল নেতা-কর্মী-সমর্থকদের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাতৃসম। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভায় তাঁর বক্তব্য শুনতে রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে কলকাতায় এসেছেন কাতারে কাতারে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। আর সেই একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে মমতার অবদানের কথা হবে না, তা আবার হয় নাকি! এদিন শহিদ মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ের ইতিহাস তুলে ধরলেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim Recalled There Was a Conspiracy to Shoot Mamata Banerjee)

এদিন ঠিক ১২টার সময়ই শুরু হয় একুশের জুলাইয়ের সমাবেশ। বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথমেই ২১ জুলাইয়ের ইতিহাস তুলে ধরেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim Recalled There Was a Conspiracy to Shoot Mamata Banerjee)। বলেন, “সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে ১৯৯৩ সালের ১৪ জুলাই মহাকারণ অভিযানের কথা ছিল। কিন্তু নুরুল হাসান প্রয়াত হন ১২ জুলাই। তাই অভিযানের সময় পিছিয়ে ২১ জুলাই করা হয়”।

এদিন বাম সন্ত্রাসের কথা বলেন ফিরহাদ হাকিম। বলেন, “তৃণমূল শুধু মিটিং মিছিল করে সিপিএমকে বাংলা থেকে দূর করেনি। অনেক রক্ত, অনেক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে বাংলাকে সিপিএম মুক্ত করেছে। তাই এই দল কারও কাছে বিলাসের জিনিস নয়, যাঁরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁদের জন্য তৃণমূল”।

মমতাকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছিল বামেরা (Firhad Hakim Recalled There Was a Conspiracy to Shoot Mamata Banerjee), এদিনের শহিদ মঞ্চ থেকে সেকথা জানিয়ে ফিরহাদ বলেন, “মানুষের পাশে থেকে মানুষের সেবা করা মমতা শিখিয়েছেন। ২৬ দিন অনশন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঢোলে পড়েছিলেন। যদি আর কয়েক ঘণ্টা দেরি হতো তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের মধ্যে থাকতেন না। সিপিএমের গুন্ডারা ওনাকে মেরে মাথার খুলি ফাটিয়ে দিয়েছিল। আর এক সেন্টিমিটার হলে ব্রেন টাচ করে যেত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের মধ্যে থাকতেন না”।

এদিনের শহিদ মঞ্চ থেকে উত্তরবঙ্গের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার অভিযোগ নিয়ে সরব হন কোচবিহারের সদ্য নির্বাচিত সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। তিনি বলেন, “কোচবিহারের রাজবংশী মানুষ, আদিবাসী মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে বিজেপির কথায় গলব না। তবে কোচবিহার জিতলে উত্তরবঙ্গে লড়াই শেষ হবে না, কোচবিহার থেকে মালদায় যতদিন না জোড়া ফুল ফুটবে, ততদিন আমার লড়াই শেষ হবে না”।

RELATED Articles