BIG BREAKING: এত এত রক্তক্ষরণ বিফলে গেল না, ৯৩ শতাংশ নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতেই, রায় সুপ্রিম কোর্টের, বড় জয় বাংলাদেশের আন্দোলনকারীদের

বিগত এক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশে আগুন জ্বলছে। কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে পড়ুয়া ও ছাত্রলীগের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ। এরই মধ্যে এই আন্দোলনের জেরে প্রাণ গিয়েছে ১২৩ জনের। আহত দেড় হাজারেরও বেশি। তবে আন্দোলনকারীদের এই রক্তক্ষরণ বিফলে গেল না। অবশেষে সুপ্রিম কোর্টে সুবিচার পেলেন তারাই।

সরকারি চাকরিতে কোটার বিরোধিতা করে আন্দোলন করেছিলেন পড়ুয়ারা। সেই আন্দোলনেই জ্বলছে গোটা বাংলাদেশ। প্রাণ গিয়েছে শতাধিকের। বাংলাদেশে জারি রয়েছে কার্ফু। বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তার বিরোধিতা করে আপিল করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের। আজ, রবিবার সেই রায়দান ছিল।

বাংলাদেশের এদিন কার্ফুর মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে হয় শুনানি। সরকারের পক্ষ থেকে অ্যাটর্নি জেনারেল হাইকোর্টের রায়কে বাতিল করার আবেদন জানিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টে এদিন হাইকোর্টের রায়কে বাতিল করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, এবার থেকে বাংলাদেশে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে ৯৩ শতাংশ। বাকি ৭ শতাংশের মধ্যে ৫ শতাংশ সুরক্ষিত থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য, ১ শতাংশ থাকবে নৃগোষ্ঠীর জন্য আর বাকি ১ শতাংশ সুরক্ষিত থাকবে প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য।

সুপ্রিম কোর্টের তরফে এও জানানো হয়েছে যে সরকার চাইলে এই কোটার হার বাড়াতে বা কমাতে পারে। তবে সরকারকে দ্রুতই কোটা প্রত্যাহারের রায় নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে।

বলে রাখি, এর আগে বাংলাদেশে সরকারি চাকরির জন্য মুক্তিযোদ্ধা, জেলা, মহিলা,ক্ষুদ্র, নৃগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী – এই পাঁচ শ্রেণীর জন্য ৫৬ শতাংশ কোটা ছিল। ২০১৮ সালেই এই কোটা বাতিলের প্রতিবাদ শুরু হয়। সেই সময় চাপের মুখে পড়ে সংরক্ষণ বাতিলের ঘোষণা করেছিলেন হাসিনা সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে আপিল করে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার। আদালত তাদের পক্ষে রায় দিলে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টে যায় হাসিনা সরকার। আর এবার চূড়ান্ত রায়দান করল শীর্ষ আদালত।   

RELATED Articles