উত্তাল বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক পরিস্থিতি। দেশের অস্থিরতার ছায়া পড়েছে সীমান্ত দেশ ভারতেও। ভারত-বাংলাদেশ বর্ডার এলাকা মুহূর্তে বিপদজ্জনক। দিনকয়েক আগেই ভারতীয় মৎস্যজীবীরা ভুলবশত বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানায় ঢুকে পড়লে তাদের উপর চলে অকথ্য অত্যাচার। এই আবহেই ভারত বিদ্বেষের নয়া নদীর সামনে এল।
কয়েকদিন আগে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন রোখার আশ্বাস দিয়েছিল বাংলাদেশের অন্তবর্তী ইউনুস সরকার। ফের প্রকাশ্যে এল বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতন ও মন্দির ভাঙার ঘটনা। ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমন দাস নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ার সেই পোস্টে রাধারমন দাবি করেন, লালমোহন হাটের তুষভাণ্ডার জমিদার বাড়ির ভবতারিণী কালী মন্দির চুরি করেছে দুষ্কৃতীরা। তাঁর প্রশ্ন, হিন্দুরা কোথায় পূজার্চনা করবে?
তিনি পোস্টে আরও দাবি করেছেন, শুক্রবার পুজো করতে যখন পুরোহিত আসেন, তখনই তিনি দেখতে পান দরজা ভাঙা। ভিতরে যেতেই নজরে আসে কালীমূর্তি উধাও। নেই কোনও সোনার অলংকার, ঠাকুরের মূর্তি। রাধারমণ লিখেছেন, ‘একটিও মূর্তিকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী পুজোর সামগ্রীও ছুরি করছে দুষ্কৃতীরা। এবার তাহলে বাংলাদেশের কোন প্রাচীন মন্দিরে হিন্দুরা পুজো করতে যাবেন? কীভাবে ধর্মাচরণ করবেন?’
আরও পড়ুনঃ কাঁপছে কলকাতা! মরশুমের শীতলতম দিন আজ, পারদ কোন ঘরে?
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশের একাধিক মন্দিরে হামলা চালিয়ে ভাঙা হয়েছে বিগ্রহ, লুট হয়েছে পুজোর সামগ্রী, অলংকার, এমনকী ভাঙা হয়েছে মন্দিরও। ময়ময়নসিংহ এবং দিনাজপুরে তিনটি মন্দিরের মোট আটটি মূর্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেনি পুলিশ। কয়েকটি থানায় মামলাও রুজু হয়নি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, হিন্দু মন্দির ভাঙার অপরাধে এই পর্যন্ত গ্রেফতার ১।






