ভারতকে যেনতেন প্রকারে চাপে রাখতে এবার মরিয়া হয়ে উঠেছে লালফৌজের দল। তাই পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার পাশাপাশি ভারতের আরেক পড়শি দেশ নেপাল যাতে ভারতের সঙ্গে কোনোভাবেই সদ্ভাব বজায় না রাখে তার জন্য তড়িঘড়ি নেপাল সফরে চলে এলেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ওয়েই ফেং।
কয়েকদিন আগেই নেপাল সফরে গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। সেখানে গিয়ে তিনি নেপালকে সবরকম সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং মানচিত্র বিতর্ক নিয়ে ভারত ও নেপালের মধ্যে যে টানাপোড়েন চলছিল তার সমাধানের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। চীন এই বিষয়টি বুঝতে পারে এবং আতঙ্কিত হয়ে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে পাঠিয়ে দেয় নেপালে। কারণ ইতিমধ্যেই নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলিকে নিজেদের বাগে নিয়ে আসছে চীন। কিন্তু কোনভাবে যদি নিজের মত বদলে নেপালের প্রধানমন্ত্রী ভারতের গুণগান গাইতে শুরু করেন তার ভয়েই চীন নিজের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে পাঠিয়ে দিয়েছে নেপালে।
চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নেপালে এসে তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সর্বতোভাবে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং নেপালের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া চালানোর বিষয়ে আলোচনাও করেছেন।চীনের বিদেশ মন্ত্রকের তরফ যে বিবৃতি জারি করা হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে যে নেপালের নেতাদের সঙ্গে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নতির জন্য বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও নেপালের সেনাবাহিনীকে সামরিক প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন সাহায্য দেবে চীন। এই বিষয়ে নেপালের সেনাপ্রধান পূর্ণচন্দ্র থাপার সঙ্গে কথা হয়েছে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর।
তবে কেপি শর্মা অলির সঙ্গে আলোচনা করার সময় কিন্তু নিজের আসল উদ্দেশ্যও কায়দা করে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কানে তুলে দিয়ে এসেছেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। নেপাল যাতে তাইওয়ানের সঙ্গে কোনোরকম সম্পর্ক না রাখে এবং ‘এক চীন’ নীতি মেনে চলে তার পরোক্ষ হুঁশিয়ারিও নেপালকে দিয়েছে চীন।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার