ফ্রান্সে একের পর এক সন্ত্রাসবাদীদের উপদ্রবে ক্ষিপ্ত ফ্রান্সের প্রশাসন। ইতিমধ্যেই ফ্রান্সে একমাসের লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ। ইসলামিক আতঙ্কবাদীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী উঠেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। নবীর কার্টুন প্রদর্শনের জন্য ১৬ বছরের এক তরুণ শিক্ষিকের মুণ্ডচ্ছেদ করার পর চার্চে ঢুকে ৩ জনকে হত্যা করে ইসলাম সন্ত্রাসবাদী দল। এই ঘটনা ফ্রান্সের জনগণকে আরও বেশী মাত্রায় ক্ষিপ্ত করে তুলেছে।
এই পরিস্থিতিতে ফ্রান্সের বিরোধী দলনেত্রী মেরিন লে পেন এক বড়সড় দাবী তুললেন। তাঁর এই দাবী কার্যকর হলে বেশ সমস্যায় পড়তে পারে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। পেন দাবী তোলেন যে, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে এসে যারা ফ্রান্সে বসতি গড়ে, তাদের উপর ব্যান লাগানো হোক। এই দুই দেশ ফ্রান্সের উপর আক্রোশ প্রকাশ করে বিরোধী প্রদর্শন চালাচ্ছে। সন্ত্রাসবাদীদের কার্যকলাপকে সমর্থন করছে এই দুই দেশের নাগরিক। তাই নিজের দেশের উপর এমন আক্রোশ প্রকাশ দেখে এমন দাবী তোলেন লে পেন। এই বিষয়ে টুইট করে লে পেন লেখেন, “আজ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হওয়া হিংসক বিক্ষোভ দেখার পর আমি সরকারের কাছে দাবী করছি যে ওই দুই দেশ থেকে আগত লোকজনকে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার নামে ব্যান করা হক”।
https://twitter.com/MLP_officiel/status/1320609099197878274?s=20
তবে ভারতেও কিছু কিছু জায়গায় যেমন ভোপাল ও মুম্বইতেও ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। কিন্তু ভারতের রাষ্ট্রবাদী জনতা ও ভারত সরকার ফ্রান্সে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর জন্য অবশ্য ভারতকে ধন্যবাদ জানাতেও ভোলেননি বিরোধী দলের নেত্রী। অন্য একটি টুইট করে তিনি লেখেন, “ভারত ও ভারত সরকারকে অসংখ্য ধন্যবাদ ফ্রান্সের এই দুর্দিনে তার পাশে থাকার জন্য”।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে। এইসব ভিডিওতে হাজার হাজার মুসলিমরা ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। পাকিস্তান থেকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে যে সেখানে এক মাদ্রাসায় কোরান পড়ানোর পর ছাত্রদের শেখানো হচ্ছে যে কীভাবে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির মাথা কাটতে হবে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফ্রান্সের নিস শহরে হওয়া সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন, এর ফলে ভারতের স্পষ্ট মত বিশ্বের সামনে প্রকাশিত হয়েছে।





