পাকিস্তানে হিন্দু সম্প্রদায় বা হিন্দু মন্দিরের উপর হামলার ঘটনা প্রায়শই শোনা যায়। একের পর এক হিন্দু মন্দিরকে টার্গেট করে ভেঙে ফেলা হচ্ছে সে দেশে। এবার ফের পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভেঙে ফেলা হল কাশ্মীরি পণ্ডিতদের প্রধান তীর্থক্ষেত্র শারদাপীঠ মন্দিরের প্রাচীর। ওই জায়গাতে আবার ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নীলম নদীর তীরে রয়েছে পাহাড়ি গ্রাম শারদা। সেখানেই রয়েছে সুপ্রাচীন কাশ্মীরি পণ্ডিতদের তীর্থক্ষেত্র শারদাপীঠ মন্দির। সেই মন্দিরের জমিই দখল করতে চাইছে পাক আর্মি। স্থানীয় হিন্দুদের উপর বেড়েই চলেছে অত্যাচার। এবার এই ঘটনায় প্রবল ক্ষোভ জারি করলেন তারা।
প্রসঙ্গত, স্বাধীনতার পর এ বছর প্রথমবার এখানে দীপাবলি পালন করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সীমান্তের কাছে থাকা এই শারদা দেবীর মন্দিরের উদ্বোধন করেছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ভেঙে ফেলা হয়েছে এই মন্দির। এমনকি, এই মন্দিরের কাছে একটি কফি হাউস বানানো হবে বলেই এই মন্দির ভেঙে ফেলা হচ্ছে বলে খবর।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানে দিনদিন কমছে হিন্দুদের সংখ্যা। স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানে ছিল ২১ শতাংশ হিন্দু। কিন্তু এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ শতাংশে। সেখানকার হিন্দুদের বিশ্বাসের প্রতীক ছিল এই শারদাপীঠ মন্দির। কিন্তু এই মন্দিরও ভেঙে ফেলা হল। সূত্রের খবর, স্বাধীনতার পর থেকে পাকিস্তানে ৪২৮টি হিন্দু মন্দিরের মধ্যে এখন অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ২০টি।





