করোনার প্রতিষেধক হিসেবে প্রায় ২০ লক্ষ ভ্যাকসিন তৈরি করে রেখেছে আমেরিকা। যে দেশ করোনা ভাইরাসের জেরে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, এবার সেই দেশই করোনা মোকাবিলার এই ওষুধের কথা জানালো। তবে এই ভ্যাকসিনের এখনো পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়নি। এই প্রয়োগের ফলাফল যদি ইতিবাচক হয় তবে সেগুলি সরবরাহের জন্যও তৈরি আমেরিকা। এমনই মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
হোয়াইট হাউসে এক সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেছেন, ‘করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে ইতিমধ্যেই আমাদের মধ্যে একটি আলোচনা হয়েছে। এক্ষেত্রে দারুন কাজও করেছে আমেরিকা।এখন শুধু ইতিবাচক চমকের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। ভ্যাকসিন নিয়ে বেশ ভালো রকমই পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘বাস্তবে আমরা শুধু এই ওষুধের প্রয়োগেই সীমাবদ্ধ নই। যদি এটি নিরাপদ চিহ্নিত হয় তবে তা সরবরাহের জন্য আমরা প্রস্তুত।’ ট্রাম্প বলেছে, ‘রোগ প্রতিরোধ থেকে শুশ্রুষার সবক্ষেত্রে অনেকটাই ভালো দিকে হাঁটছি আমরা।’
নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, ট্রাম্প সরকারের এই ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে পাঁচটি কোম্পানিকে বেছে নিয়েছে। ট্রাম্প কোম্পানিগুলির প্রশংসা করে বলেছেন, ‘বিভিন্ন কোম্পানি ভ্যাকসিন তৈরির ব্যাপারে বেশ ভালো কাজ করছে।’ তবে কোন কোম্পানি ভ্যাকসিনের উৎপাদন শুরু করেছে, তা প্রেসিডেন্ট এখনও জানাননি।কোভিড-১৯ প্রতিরোধের জন্য সম্ভাব্য ভ্যাকসিন নিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ বায়োটেক সংস্থা মোডার্নার সঙ্গে শীঘ্রতার সঙ্গে কাজ করছে।
হোয়াইট হাউসের স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা ড. অ্যান্টনি ফউসি চলতি সপ্তাহের শুরুতে জানিয়েছিলেন যে, তিনি এখন সম্ভাব্য চারটি ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।২০২১-এর শুরুতে এর কয়েক মিলিয়ন ডোজ বাজারে আসতে চলেছে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞানীরা অবশ্য বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সব গুরুত্বপূর্ণ দিক এখনও স্পষ্ট হয়নি। করোনা সংক্রণের ক্ষেত্রে মানুষের অনাক্রমতার ওপর কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চিত সকলেই।





