দীর্ঘ ১০ বছর ‘দিদি নম্বর ১’-এর সঞ্চালকের দায়িত্ব সামলেছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর সেই জায়গায় স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় আসায় শুরুতে অনেকেরই মনে হয়েছিল, রচনার জায়গা পূরণ করা তাঁর পক্ষে সহজ হবে না। তবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব নিয়ে স্বস্তিকা নিজের মতো করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। তাঁর সাবলীল উপস্থিতি এবং কথাবার্তার ধরন ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে।
এবারের ‘দিদি নম্বর ১’-এর আর একটি বড় পরিবর্তন হল অনুষ্ঠানের নতুন গান। সেই গানটি গেয়েছেন জোজো। ফলে এই অনুষ্ঠান তাঁর কাছেও বিশেষ হয়ে উঠেছে। গানটি রেকর্ড করার সময় অবশ্য অন্যরকম পরিস্থিতির মধ্যে ছিলেন গায়িকা। তখন তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছিল এবং বেশিরভাগ সময় বাড়িতেই থাকতে হত। সেই সময় বাড়িতেই প্রায় একটি ছোট রেকর্ডিং স্টুডিও তৈরি করে কাজটি করেছিলেন তিনি।
‘দিদি নম্বর ১’ নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলার সময় স্বস্তিকার সঞ্চালনারও প্রশংসা করেন জোজো। তাঁর কথায়, স্বস্তিকার আন্তরিকতা তাঁকে খুব ভালো লেগেছে। অভিনেত্রী যেভাবে মন দিয়ে অনুষ্ঠানের প্রতিটি বিষয় সামলাচ্ছেন, তা সহজেই দর্শকের মন ছুঁয়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। তবে জোজোর মনে হয়েছে, অনেক সময় স্বস্তিকা এতটাই আন্তরিক হয়ে পড়েন যে সেটা কিছুটা বাড়াবাড়ি মনে হয়।
এই প্রসঙ্গে জোজো মজার ছলেই জানান, স্বস্তিকা এতটা আন্তরিক না হলেও পারতেন। তবে একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এই আন্তরিকতাই আসলে অভিনেত্রীর অন্যতম শক্তি। মন থেকে মানুষের সঙ্গে মিশতে পারেন বলেই স্বস্তিকা দর্শকদের কাছে এতটা গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন বলে মনে করেন জোজো। তাঁর মতে, স্বস্তিকার এই স্বাভাবিক আচরণই অনুষ্ঠানের সঙ্গে দর্শকদের আরও বেশি করে যুক্ত করছে।
আরও পড়ুনঃ ‘আমি সেই ক্যাটাগরির অভিনেতা নই, নায়ক নয়, কন্টেন্ট সিনেমা টানে! দেবের স্টারডমকে কুর্নিশ জানিয়েও চ্যালেঞ্জ যিশুর’
প্রতিদিন রাতে ‘দিদি নম্বর ১’ দেখা হয় না জোজোর। সকালে তাঁর স্কুল থাকে বলে সময়ের সুবিধা অনুযায়ী সকালেই অনুষ্ঠানটি দেখেন তিনি। তবে সুযোগ পেলেই নতুন সঞ্চালক স্বস্তিকার কাজ লক্ষ্য করেন জোজো। রচনার দীর্ঘ সঞ্চালনার পর নতুন দায়িত্বে স্বস্তিকার এই উপস্থিতি নিয়ে যেমন দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে, তেমনই জোজোর মন্তব্যেও উঠে এল অভিনেত্রীর আন্তরিক সঞ্চালনার প্রশংসা এবং সামান্য আপত্তির জায়গা।






