মাইক্রো প্ল্যানিং-এর সুবাদে কন্টেনমেন্ট জোন থেকে গ্রীন জোনে রাজাবাজার, বেলগাছিয়া সহ একাধিক এলাকা

করোনা সংক্রমন এড়াতে কাজে এলো মাইক্রো প্ল্যানিং। কমল কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। রাজাবাজার ও বেলগাছিয়ার বেশ কিছু এলাকা এবার করোনা মুক্ত ঘোষিত হল। শুক্রবার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম প্রথম রাজাবাজার ও বেলগাছিয়ার বেশ কিছু অঞ্চল গ্রীনজোনে আসার কথা জানিয়েছিলেন। শনিবার সেই কথাতেই সিলমোহর দিল পুরসভা। তিনি বলেন, ‘পুরোটাই মাইক্রো প্লানিং এর সুফল। বাকি জায়গার নাম নবান্ন থেকে তালিকা প্রকাশ করে বলা হবে।’

তালিকা অনুযায়ী কলকাতা পুর এলাকায় কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা কমে হল ২৮৬। এর ফলে কলকাতায় কমপক্ষে ৭০ টি জায়গা এখন গ্রীন জোনের আওতায়। এর মধ্যেই পুরসভার বিভিন্ন এলাকাগুলিতে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ লোকের টেস্ট করানোর কাজ চলছে। টেস্টে সংক্রামিত এলাকাগুলিতে নতুন কোনো সংক্রমন ধরা না পড়ায় ওইসব এলাকাগুলোকে গ্রীন জোনে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বড়বাজার, পঞ্চানন তলা বস্তি, রাজাবাজার, গার্ডেনরিচ, বেলগাছিয়া সহ শহরের অতি বিপদজনক এলাকাগুলিতে মোবাইল ভ্যান এর মাধ্যমে করোনা পরীক্ষার কাজ করে চলেছে পুরসভার কর্মীরা। সেইসঙ্গে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রতিদিন এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে পুরসভা। কারোর জ্বর, সর্দি ,কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো কোনো সমস্যা থাকলে দ্রুত স্বাস্থ্য বিভাগের নোডাল অফিসারকে জানানো হচ্ছে।

এদিকে করোনার ভাইরাসের সংক্রমণের পাশাপাশি শহরের পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু মশার দাপট। একে করোনাতে রক্ষে নেই তাতে ডেঙ্গু যদি দোসর হয় তবে সমস্যা অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই কলকাতা পুরসভার তরফে করোনার পাশাপাশি শনিবার থেকে ডেঙ্গুরও সচেতনতা প্রচার করতে শুরু করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।

আরও অন্যান্য খবর