ফের একবার লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার হল কলকাতায়। বড় এক সাফল্য পেল সিআইডি। আজ, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে বিকানের বিল্ডিং-এ অভিযান চালায় সিআইডি। সেই বিল্ডিংয়ের এক অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় দু’লক্ষ টাকা। যে অফিসে সিআইডি হানা দেয়, সেই অফিসের মালিকের নাম মহেন্দ্র আগরওয়াল। সিআইডি আধিকারিকদের প্রাথমিক অনুমান,এই উদ্ধার হওয়া টাকার সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের বিধায়কদের কোনও যোগসূত্র থাকতে পারে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই হাওড়ার পাঁচলার কাছে এক গাড়ি থেকে প্রচুর পরিমাণ টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল। গাড়িটি ছিল ঝাড়খণ্ডের তিন কংগ্রেস বিধায়কের। সেই ঘটনার তদন্তভার যায় সিআইডি-র উপর। সেই তদন্ত চলাকালীনই কলকাতার বিকানের বিল্ডিংয়ের হদিশ পায় সিআইডি। সেখানে মহেন্দ্র আগরওয়াল নামের এক ব্যক্তির অফিসে তল্লাশি চালিয়ে এই টাকা উদ্ধার করে সিআইডি।
সিআইডি সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিকানের বিল্ডিং থেকে এক ব্যবসায়ীর মাধ্যমেই ঝাড়খণ্ডের ওই বিধায়কদের কাছে টাকা গিয়ে থাকতে পারে। সেই কারণে আজ, মঙ্গলবার দুপুর ১টার কিছু সময় পর বিকানের বিল্ডিংয়ে পৌঁছয় সিআইডি আধিকারিকরা। শেয়ার ট্রেডিংয়ের অফিসে যায় তারা।
জানা গিয়েছে, সেখানে প্রায় দু’ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তল্লাশি চালায় আধিকারিকরা। এরপর মহেন্দ্র আগরওয়াল নামের এক ব্যবসায়ীর অফিস থেকে উদ্ধার হয় এই বিপুল অঙ্কের টাকা। এছাড়াও মিলেছে বেশ কিছু রুপোর কয়েনও। সিআইডি যখন অফিসে পৌঁছয়, সেই সময় অফিসে তালা ঝুলছিল। তালা ভেঙে অফিসে প্রবেশ করেন সিআইডি আধিকারিকরা।
ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন ডিআইজি-সিআইডি। অফিসের ভিতরে এখনও তল্লাশি চলছে বলে খবর। ওই অফিসের ভিতরে আরও কোনও টাকা রাখা আছে কী না, তা খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। উদ্ধার হওয়া এই টাকার সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের বিধায়কদের কোনও যোগ রয়েছে কী না, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সিআইডি আধিকারিকরা। অফিসের ভিতরে এত টাকা এল কী করে, এই টাকার উৎস কী, সেই সব দিকগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।





