ED Raid Sujit Bose’s Office: দুর্গাপুজোর পরে সরগরম রাজ্য! সুজিত বসুর অফিসে হানা ইডির!

রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী সুজিত বসুর অফিসে ইডির হানা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুর্গাপুজোর আনন্দ শেষ হতে না হতেই রাজ্যের রাজনীতির মাটিতে ফের কেন্দ্রীয় সংস্থার তৎপরতা দেখা গেল। শুক্রবার সকাল থেকেই সল্টলেকের একাধিক এলাকায় অভিযান শুরু করে ইডি। সূত্রের খবর, এই তল্লাশি মূলত পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবেই চালানো হচ্ছে, এবং সেই তালিকায় নাম আছে সুজিত বসুর অফিসেরও। সকাল থেকেই ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়, উপস্থিত থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও।

দুপুর গড়াতেই জানা যায়, ইডির এই অভিযান শুধুমাত্র সল্টলেকেই সীমাবদ্ধ নয়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়, যেমন শরৎ বোস রোড, নিউ আলিপুর, ঠনঠনিয়া, এমনকি নাগেরবাজারেও একই সঙ্গে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ইডি সূত্রে দাবি, মোট দশটি জায়গায় এই মুহূর্তে অভিযান চলছে। এর মধ্যে সল্টলেক সেক্টর ওয়ানের এক বহুতলের তলায় সুজিত বসুর অফিস রয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। সেই ভবনেই ইডি আধিকারিকরা ঢুকে তল্লাশি চালাচ্ছেন।

এর আগে গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারিতেও একই মামলার সূত্র ধরে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেবার প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে লেকটাউনে সুজিত বসুর বাড়ি এবং দফতর খুঁজে দেখা হয়। উদ্ধার করা হয়েছিল একাধিক নথি ও তাঁর মোবাইল। মামলার সূত্রে তখন জানতে পারা যায়, স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে গিয়ে সিবিআই পুরভিত্তিক নিয়োগে অনিয়মের হদিস পেয়েছিল। এরপর সেই অভিযোগের আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখতেই নেমেছিল ইডি। ব্যবসায়ী অয়ন শীলকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল এ মামলায়, যার মাধ্যমে রাজ্যের একাধিক পুরসভায় চাকরি বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল।

আরও পড়ুনঃ ED : সকাল থেকেই নাগেরবাজারে ইডির তল্লাশি, তৃণমূল ঘনিষ্ঠ স্কুল মালিকের ফ্ল্যাটে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ!

এদিন সকালে আরও একটি আলাদা জায়গাতেও নজর পড়ে ইডির। নাগেরবাজারের শ্যামনগর রোডের শোভনা অ্যাপার্টমেন্টে দীপক দে নামে এক ব্যক্তির বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালায় সংস্থা। জানা গেছে, তিনি জিডি গোয়েঙ্কা পাবলিক স্কুলের মালিক এবং একই সঙ্গে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। সকাল থেকেই ওই বাড়ির সামনে জড়ো হয় ইডি ও সিআরপিএফের বড় বাহিনী। প্রথমদিকে বারবার দরজায় ধাক্কা দিয়েও ভিতর থেকে কোনও সাড়া মেলেনি বলে দাবি স্থানীয়দের। শেষমেশ তাঁর ছেলে দরজা খোলার পর ভিতরে প্রবেশ করে তদন্তকারীরা।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর