শুক্রবার সকালেই নাগেরবাজারে সচল হল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। দুর্গাপুজোর উল্লাস বিদায় নিলেই হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সকাল থেকে শ্যামনগর রোডে শোভনা অ্যাপার্টমেন্টের সামনে সরগরম ছিল। মানুষ আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করছিল, কেন্দ্রীয় আধিকারিক ও সিআরপিএফ জওয়ানদের উপস্থিতি।
অ্যাপার্টমেন্টের দরজায় বারবার ধাক্কা দিলেও ভিতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। কিছুক্ষণ পরে দরজা খুলে দেওয়া হয়। এরপর কেন্দ্রীয় এজেন্সির অফিসাররা ভিতরে প্রবেশ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাধারণ সকালে এমন কর্মকাণ্ডে পুরো এলাকা থমথমে হয়ে ওঠে।
জানা গেছে, অভিযানের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন দীপক দে। তিনি জিডি গোয়েঙ্কা পাবলিক স্কুলের মালিক। এছাড়া তার প্রোমোটিং এবং বিল্ডার্সের ব্যবসা রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, তিনি তৃণমূল ঘনিষ্ঠ এবং এলাকায় পরিচিত মুখ। এই প্রেক্ষাপটে তল্লাশি অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালনা করা হচ্ছিল। দীপকের পরিবারের সদস্যরা ফ্ল্যাটে ছিলেন—মা এবং দুই সন্তানও উপস্থিত ছিলেন।
প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, দীপক দে-এর বাড়িতে আর্থিক তছরুপ সংক্রান্ত মামলার তদন্ত চলছে। এছাড়া ইডি সূত্রে জানা গেছে, তল্লাশির পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদও চলছে। ইতিমধ্যেই ফ্ল্যাটের একমাত্র ছেলে দরজা খুলে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ভিতরে প্রবেশ করিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Astrology: সূর্য-শনি-গুরুর বিরল যোগ দীপাবলিতে, সোনা-রুপোর বর্ষণ এই ৩ রাশিতে!
এর আগে বুধবারও কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে ইডি। সল্টলেক এবং শহরের অন্যান্য অংশে বিদেশি মুদ্রা ও কালো টাকা পাচারের অভিযোগে হানা দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট। একই মামলায় দেশের অন্যান্য শহরেও অভিযানের খবর পাওয়া গিয়েছে। এ ধরনের অভিযানের কারণে স্থানীয়রা সতর্ক হয়ে উঠেছেন।





