Hawker Committee Protested against Police for being overactive in Hawker Eviction: মুখ্যমন্ত্রীর আল্টিমেটাম বলা যায়। এরপর থেকেই শহরজুড়ে কাজে লেগে পড়েছে পুলিশ-প্রশাসন। কলকাতার নানান জায়গায় অভিযান চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে নানান ঝুপড়ি, হোটেল, উচ্ছেদ রা হচ্ছে হকার। আর পুলিশের এই অতি সক্রিয়তা নিয়ে ক্ষিপ্ত ‘হকার সংগ্রাম কমিটি’ (Hawker Committee Protested against Police for being overactive in Hawker Eviction)।
গত সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরসভাগুলিকে নিয়ে বৈঠক করে বিশেষ বার্তা দেন। রাস্তার ধারে জমি দখল করে হকারদের দৌরাত্ম্য নিয়ে বেশ ক্ষোভ জারি করেন তিনি। টাকা নিয়ে লোক বসানো হচ্ছে, এমন মন্তব্যও করেন। আর এরপরই অ্যাকশনে নেমে পড়ে পৌরসভা-পুলিশ (Hawker Committee Protested against Police for being overactive in Hawker Eviction)।
পুলিশ কর্তারা শহরের নানান এলাকায় ঘুরে দোকান সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন। সল্টলেকের কলেজ মোড় থেকে শুরু করে গোদরেজ ওয়াটার সাইট পর্যন্ত, আলিপুর, গড়িয়াহাট চত্বর সব জায়গাতেই যান পুলিশ কর্তারা। সতর্ক করেন দোকানদারদের। বলেন যাতে তারা দোকান সরিয়ে নেন। কিন্তু তা না হওয়ায় একদিনের মধ্যেই বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। এর জেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন হকাররা। হঠাৎ এভাবে উচ্ছেদ হলে তাদের রুটি-রোজগার কীভাবে চলবে, তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। এমন পরিস্থিতিতে এবার রাস্তায় নামতে চলেছে ‘হকার সংগ্রাম কমিটি’ (Hawker Committee Protested against Police for being overactive in Hawker Eviction)।
যেভাবে নানান জায়গা থেকে হকারদের দোকান ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তাদের আটক করা হচ্ছে, এর বিরুদ্ধে এবার আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছেন হকার কমিটির নেতা। তাঁর কথায়, “নিউ মার্কেট এবং ধর্মতলা চত্বরে টাকা খেয়ে জায়গায় জায়গায় হকার বসানো হচ্ছে আর এখন সেই পুলিশ টাকা খেয়ে হজম করে অতি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে (Hawker Committee Protested against Police for being overactive in Hawker Eviction)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা নির্দেশ দিয়েছেন, তার থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ”।
হকার নেতার দাবী, পুলিশ টাউন ভেন্ডিং কমিটির নিয়ম লঙ্ঘন করছে (Hawker Committee Protested against Police for being overactive in Hawker Eviction)। সেই কারণে এবার তারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই বিষয়ে আবার টাউন ভেন্ডিং কমিটির কো-চেয়ারম্যান তথা কলকাতা পুরনিগমের অন্যতম মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী যা নির্দেশ দিয়েছেন, তা সঠিকভাবেই পালন করছে পুলিশ। কোথাও কোনও সমস্যা হচ্ছে না। বেআইনি জবরদখল থাকলে সেটাকে তুলে দিচ্ছে পুলিশ। এর মধ্যে কোনও সমস্যা নেই। কোথাও অতি সক্রিয়তা থাকলে আমার কাছে অভিযোগ করুক। কিন্তু কাগজপত্র না থাকলে, তা বেআইনি হিসেবেই ধরা হবে”।





