ফের বিজেপি নেতার কটাক্ষের শিকার হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এবারে তাদের অভিযোগ, বাকি রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী নয়। এজন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। শুক্রবার তিনি এক টুইটে লেখেন, “এখন সব রাজ্য সরকারই তাদের শ্রমিকদের প্রতি সংবেদনশীল হয়ে তাদের ঘরে ফেরানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেন বাঙালি শ্রমিকদের নিজ রাজ্যে ফেরাতেই চান না। তাই কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন না।”
इस समय देश का हर राज्य अपने मज़दूरों के प्रति संवेदनशील है और उन्हें घर लाने की कोशिश कर रहा है। पर, ममता बैनर्जी ने बंगाली मजदूरों की वापसी के कोई प्रयास नहीं किए।
भाजपा सांसद @johnbarlabjp जी आपका आंदोलन सही है।pic.twitter.com/DV71s5Ubbi
— Kailash Vijayvargiya (@KailashOnline) May 8, 2020
বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও এদিন কৈলাসের সুরেই সুর মিলিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন। তাঁর মন্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকার চাইছে না পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরুক। তাই জন্যই মাত্র দু’টি ট্রেনেরই ব্যবস্থা করেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এরপর আর কোনো ট্রেন আসেনি। আর যে দুটি ট্রেন এসেছে এ রাজ্যে তাতে কতজনই বা শ্রমিক এসেছেন? রাজস্থান থেকে বেশিরভাগ তীর্থযাত্রীরাই রাজ্যে ফিরেছেন। চিকিৎসা করতে অনেকেই রাজ্যের বাইরে গেছেন তাদের কি হবে? তাদের ফেরানোর উদ্যোগ নেই কেন? আসলে এই সরকারের নীতিগুলি ভীষণ রকম অমানবিক। এই সরকার এই সময়েও শুধুই রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ করেন দিলীপ বাবু।
এদিন বিজেপির এক প্রতিনিধি দল করোনা, পরিযায়ী শ্রমিক সহ একাধিক সমস্যা নিয়ে রাজভবনের দ্বারস্থ হন। প্রতিনিধি দলে দিলীপ ঘোষ ছাড়াও ছিলেন রাহুল সিনহা, মুকুল রায় প্রমুখ বিজেপির শীর্ষ নেতারা। করোনা রোধে রাজ্যের ব্যর্থতা, রেশন দুর্নীতির মতো বিষয় নিয়ে রাজ্যপালের কাছে নালিশ জানান রাজ্য বিজেপি। দিলীপবাবু জানান, ‘প্রাক্তন মেয়রকে আবার নতুন করে কলকাতা পুরসভারই প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত করে রাজ্য পুরসভার ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ রাখতে চেয়ে রাজ্য সরকার ভারতের সংবিধানের অবমাননা করছে। পাশাপাশি ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টাও করেছে। এই পদক্ষেপের নৈতিকতা কোথায়? এর বিরুদ্ধেই আমরা রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ জানাতে গেছিলাম।’






