রাজ্যের আইনি মহলে ফের তীব্র চাঞ্চল্য। সম্প্রতি এসএসসি মামলাকে ঘিরে যাঁর নাম বারবার শিরোনামে উঠেছিল, সেই ‘হেভিওয়েট’ আইনজীবী এবার অন্য এক অভিযোগে চাপে। আদালত চত্বর থেকে রাজনৈতিক মহল—সব জায়গাতেই এখন একটাই প্রশ্ন, ঠিক কী ঘটেছে? অভিযোগ এতটাই গুরুতর যে তা নিয়ে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক স্তরেও নড়াচড়া
জানা গিয়েছে, আইনজীবী ফিরদৌস শামিম-এর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের হয়েছে কলকাতার হেয়ার স্ট্রিট থানা-য়। অভিযোগকারিণী নিজেও পেশায় আইনজীবী। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে থানায় অভিযোগ জমা দেওয়ার পর মামলা রুজু হয়েছে এবং তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রশাসন সূত্রে খবর, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগেই অবশ্য ইঙ্গিতপূর্ণ বিস্ফোরক পোস্ট করেছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছিলেন, সিপিএমের এক প্রভাবশালী আইনজীবীর বিরুদ্ধে তাঁরই মহিলা সহকর্মী বিস্ফোরক অভিযোগ জমা দিয়েছেন। যদিও নাম উল্লেখ করেননি, তবে ‘চাকরিখেকো’, ‘মামলা করে চাকরি বাতিলের কারিগর’ এবং ‘মিডিয়ায় ডায়লগবাজি’—এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, অভিযোগকারিণী নাকি প্রথমে দলের কাছেই বিচার চেয়েছিলেন।
অভিযোগকারিণী দাবি করেছেন, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাঁকে মুখ বন্ধ রাখতে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ। চিঠির একটি কপি নাকি রাজনৈতিক নেতৃত্বের হাতেও পৌঁছেছে। তবে সংশ্লিষ্ট দল এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বিশদ প্রতিক্রিয়া দেয়নি। ফলে জল্পনা আরও বাড়ছে।
আরও পড়ুনঃ Narendra Modi in Israel : মোদির ইজরায়েল সফরে বিরল মুহূর্ত!নেতানিয়াহুর হিন্দি পোস্টে ভারতের প্রতি সাদৃশ্য প্রকাশ!
উল্লেখ্য, এসএসসি মামলায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের রায় ঘিরে আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের নাম রাজ্য রাজনীতিতে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই বর্তমান অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন নজর তদন্তের গতিপ্রকৃতির দিকে—অভিযোগ কতটা প্রমাণিত হয় এবং আইন নিজের পথে কতদূর এগোয়, সেটাই দেখার।





