ইতিমধ্যে আনলক (Unlock 4) প্রক্রিয়ার চতুর্থ ধাপে কী কী ছাড় দেওয়া হবে তার ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্র থেকে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মেট্রো রেল পরিষেবা (Metro Rail)। মেট্রো রেল যে রাজ্যগুলিতে রয়েছে সেই রাজ্যগুলিতে মেট্রো চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে। বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) জানিয়েছেন ধাপে ধাপে চালু হবে মেট্রো পরিষেবা। এখন সম্পূর্ণ করোনা বিধি মেনে কী করে বিপুল সংখ্যক যাত্রী নিয়ে চালানো হবে মেট্রো, উঠছে এরকমই প্রশ্ন।
১/৬
দিল্লিতে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মেট্রো চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে সেখানকার মেট্রো রেল কর্পোরেশন। এই রাজ্যে মমতা সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব জলদি শুরু হতে চলেছে মেট্রো পরিষেবা।
২/৬
টোকেন ব্যবহার নৈব নৈব চ! শুধুমাত্র স্মার্ট (Smart Card) কার্ডে করা যাবে পাতাল রেল যাত্রা। অনলাইনে করা যাবে কার্ড রিচার্জ এবং যাদের কার্ড নেই তারা কাউন্টার থেকে কার্ড সংগ্রহ করে নিতে পারবেন। কারণ টোকেন এর মাধ্যমে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। এই সিদ্ধান্ত দিল্লি মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ নিয়েছে। আশা করা যাচ্ছে কলকাতাও একই পথ অনুসরণ করবে।
৩/৬
মুখোশে মুখ না থাকলে ঢুকতে দেওয়া হবে না মেট্রো স্টেশনে। অর্থাৎ মাস্ক কিন্তু মাস্ট! সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় সোশ্যাল ডিসটেন্সিং বিধিও মেনে চলতে হবে।
৪/৬
দিল্লি মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে স্থির করা হয়েছে যে আগের তুলনায় এখন অধিক সময় স্টেশনে দাঁড়াবে প্রতিটি মেট্রো। তাই হুড়োহুড়ি কোন রকম ভাবেই করা যাবে না। সম্ভবত কলকাতাও এই নীতি অনুসরণ করতে চলেছে।
৫/৬ মেট্রো স্টেশনে ঢোকার আগে থাকছে স্যানিটাইজার এর ব্যবস্থা। ইতিমধ্যেই স্টেশনে বসানো হয়েছে স্যানিটেশন মেশিন। প্রত্যেকটা প্লাটফর্মে তিনটে পড়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার মেশিন থাকবে। স্টেশনে ঢোকার আগে যেমন হাত স্যানিটাইজ করে ঢুকতে হবে সেরকমই প্ল্যাটফর্মে এসেও যাত্রীরা হাত স্যানিটাইজ করে নিতে পারবেন।
৬/৬ এছাড়াও হতে চলেছে থার্মাল স্ক্রীনিং। যদি প্রবেশযোগ্য তাপমাত্রা আসে তাহলেই মিলবে স্টেশনে ঢোকার অনুমতি। তবে অসংখ্য যাত্রীদের ভিড়ের সময় থার্মাল স্ক্রীনিং করা অসম্ভব তাই ক্যামেরা সেনসর এর মাধ্যমে তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা করতে পারে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।
কিন্তু এখানেই উঠছে বড় প্রশ্ন চিহ্ন। কলকাতা মেট্রো অফিস টাইমে কীরকম হয় তা মোটামুটি সকলেই জানেন। এখন কলকাতায় প্রায় অধিকাংশ অফিসই খুলে গিয়েছে। ফলে ভিড় সামলে এই সকল ব্যবস্থা পালন করা যাবে তো? এছাড়াও প্রায় পাঁচ মাস মেট্রো পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের কোষাগার প্রায় শূন্য, সেখানে এত ব্যয়বহুল ব্যবস্থা কী করে সামাল দেওয়া যাবে সেই নিয়েই চলছে আলাপ-আলোচনা।






