Mamata Banerjee : “হিডকো ও এনকেডিএ এলাকায় জল জমার দায় পুরোপুরি মেট্রোর কাঁধে থাকবে” – কলকাতার জলমগ্ন পরিস্থিতিতে দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের!

গত কয়েকদিন ধরে অবিরাম বৃষ্টি সল্টলেক, রাজারহাট ও নিউ টাউনের বিস্তীর্ণ এলাকাকে জলমগ্ন করে তুলেছে। সকাল-বিকেল, সব রাস্তা জল জমে চলাচল প্রায় বন্ধের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় মানুষজনের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হওয়ায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পুজোর আগে এমন জলাবদ্ধতা স্থানীয়দের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পরিস্থিতির জন্য সরাসরি দায় চাপিয়েছেন মেট্রো কর্তৃপক্ষের উপর। তিনি বলেন, ‘‘মেট্রোর নির্মাণ সামগ্রীর কারণে নালা ও নর্দমার মুখ বন্ধ হয়ে জল দ্রুত নামছে না। দ্রুত মালপত্র সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে।’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী দীর্ঘদিনের নির্মাণকাজে দায়বদ্ধতা ও পরিচর্যার অভাব জলাবদ্ধতার মূল কারণ।

তিনি আরও সতর্কবার্তা দিয়েছেন, “হিডকো ও এনকেডিএ এলাকায় যে কোন জলাবদ্ধতার দায় পুরোপুরি মেট্রোর কাঁধে থাকবে।” এই মন্তব্যে স্পষ্ট করা হয়েছে, শুধু অবকাঠামোগত ত্রুটিই নয়, বরং প্রশাসনিক দায়িত্বহীনতাও জনজীবনকে প্রভাবিত করছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা চলবে না এবং তিনি নিজে কখনও এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ে রাজনীতি করেননি।

বৃষ্টিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কয়েকজনের মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় মমতা সিইএসসিকে দায়ী করেছেন। তিনি মৃত পরিবারগুলোর প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে জানিয়েছেন, “প্রতিটি মৃত ব্যক্তির পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।” এর জন্য সংস্থার কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েন্কার সঙ্গে কথা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ Delhi : আধ্যাত্মিকতার আড়ালে অন্ধকার! দিল্লির আশ্রমে ১৭জন ছাত্রীকে যৌন*হেনস্থার অভিযোগ ধর্মগুরুর উপর!

দুর্যোগের কারণে কয়েকটি পুজো উদ্বোধনও স্থগিত রাখতে হয়েছে। মঙ্গলবারের অনুষ্ঠান পেছানো হয়েছে, এবং বুধবার চেতলা অগ্রণীর উদ্বোধনও জলাবদ্ধতার কারণে পিছিয়ে গেছে। স্থানীয় মানুষ ও পুজো কমিটি এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নিলে আশা করা যায় পরিস্থিতি শীঘ্রই স্বাভাবিক হবে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles