Mamata Banerjee directed not to waste electricity: সরকারি দফতরে যে বিদ্যুৎ অপচয় হয়, এই নিয়ে অভিযোগ এর আগেও উঠেছে। ঘর ফাঁকা কিন্তু চলে যাচ্ছে এসি, ফ্যান, জ্বলছে আলোও, এমন ঘটনা আকছার ঘটেই থাকে সরকারি দফতরে। এবার সরকারি দফতরে বিদ্যুৎ অপচয় নিয়ে কড়া হলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি ভবনে জারি হল মমতার কড়া নির্দেশ (Mamata Banerjee directed not to waste electricity)।
কিছুদিন আগেই নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠকে সরকারি দফতরে বিদ্যুৎ খরচ নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নানান সরকারি স্কুল-কলেজেও বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে বলে অভিযোগ তিলেন তিনি (Mamata Banerjee directed not to waste electricity)। বেজায় চটে যান মুখ্যমন্ত্রী।
এমনকি, আলো-পাখা ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি এসিও ২৬ ডিগ্রির উপরে চালানোর পরামর্শ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, অনেক সময়ই খবর আসে সরকারি অফিসে যখন লোক থাকছে না তখনও ফ্যান, আলো জ্বলছে, এসিও চলছে। এভাবে বিদ্যুতের অপচয় বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee directed not to waste electricity)।
সেদিনের ওই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, নানান সরকারি দফতরগুলিই ইচ্ছে মতো বিদ্যুৎ খরচ করেও বিদ্যুৎ দফতরকে বিল মেটাচ্ছে না। এই ব্যাপারে প্রয়োজন পড়লে যারা বিদ্যুৎ দফতরের বিল মেটাবে না, তাঁদের দফতরের বাজেট বরাদ্দ থেকে সংশ্লিষ্ট অর্থ কেটে নেওয়া হবে বলেও এদিনের এই বৈঠকে হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee directed not to waste electricity)।
মুখ্যমন্ত্রী এই হুঁশিয়ারির পরই এবার রাজ্যের সবকটি স্বাস্থ্য প্রশাসনে কড়া নির্দেশিকা জারি হল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ, যদি কোনও প্রয়োজন না থাকে, তাহলে সরকারি দফতরে আলো, পাখার সুইচ বন্ধ করতে হবে (Mamata Banerjee directed not to waste electricity)। জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যাতে এসি, লিফট, হাসপাতাল চত্বর, বাগানের আলোর ব্যবহারও কমানো হয়।
এই প্রসঙ্গে রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, “অনেকের মধ্যেই স্বভাব আছে আমরা এসি বন্ধ করি না, আলো বন্ধ করি না, ফ্যান অফ করি না। সেইগুলির জন্যই মুখ্যমন্ত্রী এমন বার্তা দিয়েছেন। এটা করলে বিদ্যুতের বিল বাঁচাতে পারি। অপ্রয়োজনীয় ভাবে যাতে বিদ্যুত না নষ্ট হয় সেই দিকেই নজর দিতে হবে”।






