Live: জ্বালানির দাম কমানোর দাবীতে রাস্তায় বিজেপি, ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকালো পুলিশ, ধুন্ধুমার কাণ্ড রাজ্য বিজেপি সদর দফতরে

দীপাবলির আগেই পেট্রোল ও ডিজেলের উপর থেকে আবগারি শুল্ক কমিয়েছে কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রের এই ঘোষণার পরই আরও ২২টি রাজ্যের তরফে পেট্রোপণ্যের উপর থেকে শুল্ক কম করা হয়েছে। কিন্তু এখনও সে পথে হাঁটে নি রাজ্য সরকার। এই কারণে জ্বালানির দাম কমানোর দাবী জানিয়ে আজ, সোমবার কলকাতার রাজপথে মিছিল বের করার কথা ছিল বিজেপির।

কিন্তু মিছিল শুরু করার আগেই বিপত্তি। রাজ্য বিজেপির সদর দফতর থেকে এই মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মিছিল শুরুর আগেই মুরলীধর সেন রোড ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে পুলিশ। মিছিল করতে বাধা দেওয়া হয় বিজেপিকে।

পুলিশের দাবী, এই মিছিল করার জন্য বিজেপির কাছে কোনও অনুমতি নেই। আর এই অতিমারির মধ্যে মিছিলে অনুমতি দেওয়া যাবে না গেরুয়া শিবিরকে। কিন্তু বিজেপির দাবী, তারা এই মিছিল করবেই। ব্যারিকেড ভেঙে বেরনোর চেষ্টা চলছে। সব মিলিয়ে বেশ ধুন্ধুমার কাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে বিজেপি সদর দফতরের সামনে।

ইতিমধ্যেই সেখানে উপস্থিত হয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, জগন্নাথ সরকার, দেবশ্রী চৌধুরী নানান বিজেপি নেতারা। এই ঘটনায় সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিধানসভায় ২১৩টি আসন পাওয়ার পরও বিজেপিকে ভয় পাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এটা দেখে বেশ ভালো লাগল”।

তাঁর কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও জানেন যে এই ২১৩টি আসন তিনি জয় করেছেন প্রশাসন ও গুন্ডাগিরি করেই। এখন অতিমারির অজুহাত দিচ্ছেন। যখন মদন মিত্র গরুর গাড়ি করে রাস্তায় প্রতিবাদ করতে নেমেছিলেন, সেই সময় কী করোনা পরিস্থিতি ঠিকঠাক ছিল? এসব কিছুই অজুহাত যাতে আমাদের মিছিল না করতে দেওয়া হয়। তবে আমরা মিছিল করবই আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাধ্যও করব জ্বালানির দাম কমানোর জন্য”।

এখান থেকে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে যে ত্রিপুরায় যখন তৃণমূলকে মিছিল করতে বাধা দেওয়া হয়, সেই সময় বিজেপির বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ আনে ঘাসফুল শিবির। তাহলে সেই একই কাজ করায় এবার নিজেদের কী জবাব দেবে তৃণমূল?

আরও অন্যান্য খবর