রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলতে আজ, মঙ্গলবার বিকাশ ভবন অভিযানের ডাক দেয় বিজেপির যুব মোর্চা। এসএসসি, এসএলএস্টি, টেট-সহ একাধিক চাকরির পরীক্ষায় নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে, সেই প্রতিবাদেই রাস্তায় নামে বিজেপি। কিন্তু এই মিছিলকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় ধুন্ধুমার কাণ্ড।
এদিনের এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য। হাজির ছিলেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্ত এবং রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ। আগে থেকেই এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল যুব মোর্চা। তবে পুলিশ এই মিছিলের অনুমতি দেয়নি। আজ, মঙ্গলবার সকালেই ইন্দ্রনীল জানান যে অনুমতি ছাড়াই হবে মিছিল।
এদিনকরুণাময়ী মোড় থেকে মিছিল খানিকটা এগোতেই বিজেপি নেতা-কর্মীদের আটকানো হয়। গার্ডরেল দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। কিন্তু কোনও বাধাই মিছিল আটকাতে পারেনি। এরপর মিছিল যখন ময়ূখ ভবনের কাছে পৌঁছয়, তখন পুলিশ জলকামান ছুঁড়তে থাকে।
এর মধ্যেও সুকান্ত মজুমদার পরপর দু’টি ব্যারিকেড ভাঙেন। তবে পুলিশি বাধা পেরিয়ে বেশি এগোতে পারেন নি তিনি। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি যুব মোর্চার নেতা-কর্মীরা। পুলিশের টানা জলকামানের জেরে বিজেপির এই মিছিলের ছত্রভঙ্গ হয়।
বিজেপির তরফে অভিযোগ আনা হয়েছে যে তাদের বেশ কিছু কর্মী ও সমর্থকরা এই ঘটনায় আহত হয়েছেন। যদিও পুলিশের দাবী, কোনও লাঠিচার্জ করা হয়নি। পুলিশের পাল্টা দাবী, তাদের কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এই মিছিল প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “বিজেপি বাংলায় অরাকজকতা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। এখন সুকান্তবাবু দলেক মধ্যেই সমালোচিত হচ্ছেন। তার জমানায় শুধু হার আর হার। তাই নিজেকে প্রাসঙ্গিক করতে ১০০-১২০ জন লোককে নিয়ে মিছিল করতে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে তো বিজেপি নেতাদের নিরাপত্তারক্ষীরাও ছিলেন”।





