আন্দোলনের ঝাঁঝ ক্রমেই বাড়ছে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে। আজ, বুধবার দুপুরে নিয়োগের দাবী তুলে আচমকাই এক্সাইড মোড়ে জমায়েত করেন ২০১৪-এর নন-ইনক্লুডেড টেট প্রার্থীরা। জমায়েত ভাঙার চেষ্টা চালায় পুলিশ। দু’পক্ষের মধ্যে বচসা, ধ্বস্তাধস্তি শুরু হয়। আন্দোলনকারীদের রক্ত ঝড়ে।
আন্দোলনকারীদের টেনেহিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তুলতে দেখা যায় পুলিশকে। পাল্টা পুলিশের গাড়ির তলায় মাথা দিয়ে বিক্ষোভ দেখায় চাকরিপ্রার্থীরা। এক্সাইড মোড় থেকে তারা জমায়েত করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রীটের অফিসের সামনে। সব মিলিয়ে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় কলকাতা।
দেড় বছরের বেশি সময় কেটে গিয়েছে। চাকরির দাবী জানিয়ে রাস্তায় বসে আন্দোলন করছেন ভবিষ্যতের শিক্ষকরা। কিন্তু নিয়োগ মেলেনি। এদিন আচমকাই এক্সাইড মেট্রো স্টেশনের সামনে জমায়েত করেন চাকরিপ্রার্থীরা। বিক্ষোভ শুরু করতেই ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। এক্সাইড মোড়ে ছিলেন কলকাতা পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরা। পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হয়ে যায় বিক্ষোভকারীদের। অভিযোগ, টেনেহিঁচড়ে বিক্ষোভকারীদের প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়।
তবে তাতেও তাঁদের দমানো যায়নি। প্রিজন ভ্যান থেকে বেরিয়ে পুলিশের গাড়ির চাকার নিচে মাথা রেখে প্রতিবাদ জানান চাকরিপ্রার্থীরা। এরপর পুলিশের তাড়া খেয়ে তারা জড়ো হন ক্যামাক স্ট্রীটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের সামনে। তাদের একটাই দাবী, তাদের ভাগের চাকরি তাদের দিতে হবে। যদিও অভিষেকের সঙ্গে দেখা হয়নি তাদের।
সেখানে ফের পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি বাঁধে আন্দোলনকারীদের। পুলিশের ধরপাকড়ের জেরে বেশ কিছু চাকরিপ্রার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার পরিবর্তে তাদের প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিক্ষোভের জেরে ওই এলাকায় বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল বন্ধ থাকে।





