যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর প্রতিবাদে আজ, সোমবার ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত একটি মিছিল করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে বামপন্থী সংগঠন থেকে মুক্ত করার ডাক দেয় তৃণমূল। এদিনের এই মিছিলে অংশ নেন তৃণমূলপন্থী অধ্যাপকরাও।
গত বুধবার রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলের তিনতলা থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় প্রথম বর্ষের ছাত্র স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন রাজ্য-রাজনীতি উত্তপ্ত। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তিন জন ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের র্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন সকলে।
নানান ঘটনা সামনে আসছে এই মৃত্যু ঘটনাকে কেন্দ্র করে। এমন পরিস্থিতির জন্য বামপন্থী ছাত্র সংগঠনকেই দায়ী করেছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়েও।
কী বলেন তৃণাঙ্কুর?
তৃণাঙ্কুরের অভিযোগ, “এখন রাজ্যপাল কোথায়? আর যারা নিজেদের বিপ্লবী বলে দাবি করেন, সেই বামপন্থীদের আসল রূপ তো দেখলেন যাদবপুরের সকলে”।
অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্য নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “কমিউনিস্টরা এতদিন যাদবপুরকে পৈত্রিক সম্পত্তি বানিয়ে রেখেছে। তার পরিণতিতে ছাত্রের করুণ মৃত্যু। এই যাদবপুরকে আমরা পরিষ্কার করব, সেজন্যই পথে নামা”।
এই মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৌভিক চট্টোপাধ্যায়।তিনি দাবী জানান যে অবিলম্বে ক্যাম্পাসকে ১০০ শতাংশ সিসিটিভির আওতায় আনতে হবে। খুনীদের শাস্তির দাবিতে এদিন পার্ক সার্কাস ক্যাম্পাস থেকে পদ্মপুকুর পর্যন্ত কালো পতাকা নিয়ে মিছিলে হাঁটেন আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও।
আন্দোলনকারীদের একজন বলেন, “কেন এমন ঘটনা ঘটল, কারা দায়ী অবিলম্বে তা খুঁজে বের করার পাশাপাশি দোষীদের এমন শাস্তি দেওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ যেন এমন ব়্যাগিংয়ের কল্পনাও না করেন”।





