Acci*dent :বাইকের সংঘর্ষের পর বাসে আগুন, দরজা খুলতে না পেরে মৃ*ত ২০ যাত্রী!

২৪ অক্টোবর,শুক্রবার ভোরে কুর্নুল জেলার চিন্নাটেকুর গ্রামে ঘটে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা, যা হঠাৎই সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। অনেক যাত্রী তখন গভীর ঘুমে ছিলেন, অনেকে হয়তো স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি যে তাদের যাত্রা রূপ নেবে দুঃস্বপ্নে। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া আগুন এবং ধোঁয়ার মধ্য দিয়ে যাত্রীরা প্রাণ বাঁচাতে লড়াই করছেন।

কয়েক ঘন্টা পরে জানা যায়, হায়দরাবাদ থেকে বেঙ্গালুরু যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন, বেশিরভাগই ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। ভোরে ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বাইকের সঙ্গে সংঘর্ষের পরে ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষের পর বাইকটি বাসের নিচে আটকে যায়, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই তেলের ট্যাঙ্কে আগুন লেগে বিস্ফোরণ ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের অভিঘাতে ট্যাঙ্কের ঢাকনা খুলে যাওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

অগ্নিকাণ্ডের সময় বাসের ভিতরে থাকা অনেক যাত্রী জানালা ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে বাসের স্বয়ংক্রিয় দরজা শর্ট সার্কিটের কারণে খুলতে পারেনি। যাত্রীদের মধ্যে কেউ কেউ মরিয়া হয়ে জানলা ভেঙে প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হন। তবে বাসে থাকা ৪০ জনের মধ্যে প্রায় অর্ধেকের বেশি যাত্রী আগুনে ঝলসে যান। পুলিশ নিশ্চিত করেছে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহতদের কুর্নুল সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডু শোক প্রকাশ করেছেন। মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী মৃতদের পরিবারের জন্য ২ লাখ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন।

আরও পড়ুনঃ Suvendu Adhikari : শুভেন্দুর আইনি সুরক্ষা শেষ! আদালতের নির্দেশে ফের জোরদার তদন্ত, রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা!

দুর্ঘটনার পর দুই চালকের খোঁজ মেলেনি। পুলিশ অনুমান করছে, তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছেন। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে এবং নিহতদের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে। এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সড়ক নিরাপত্তা, জরুরি ব্যবস্থাপনা এবং যানবাহনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কতটা জরুরি।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর