প্রথমে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাগাতার ধর্ষণ, তারপর আপত্তিকর ভিডিও বানিয়ে ব্ল্যাকমেল ও সবশেষে আপত্তিকর ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল করে বিশ্বাসভঙ্গ, এসব ঘটনাই ঘটেছে বরেলির এক নাবালিকার সঙ্গে। অভিযোগ, সম্পর্কে থাকাকালীন আপত্তিকর ভিডিও বানায় তার মুসলিম প্রেমিক। এরপর ওই ভিডিও সে তার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করলে তারাও ওই নাবালিকাকে ভিডিও প্রকাশ করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে তাঁকে। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করার পর থেকেই ফেরার ওই নাবালিকার প্রেমিক-সহ তার চার বন্ধু।
নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, বছরখানেক আগে ফইজ শেরি নামের এক মুসলিম যুবক তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার তার সঙ্গে সহবাস করে। এমনকি, তার বেশ কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও-ও তোলে ওই যুবক। এরপর সেই ভিডিও দেখিয়ে নির্যাতিতাকে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে ওই যুবক। গত পয়লা জানুয়ারি নাবালিকার ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল করে দেয় ওই মুসলিম যুবক। এরপর নাবালিকার পরিবার পুলিশে অভিযোগ জানায়।
পুলিশের তরফ থেকে নাবালিকার ওই ভিডিও উদ্ধার করে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশের কথা অনুযায়ী, ওই নির্যাতিতা ফইজ শেরি নামের এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। পরে ওই যুবক নাবালিকার আপত্তিকর ভিডিও বানিয়ে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করে। এই ভিডিও সে তার চার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করলে তারাও ওই নাবালিকাকে ভিডিও লিক করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁকে লাগাতার ধর্ষণ করে। এরপর নাবালিকা তার প্রেমিককে বিয়ের কথা বললে সে তা অস্বীকার করে ও নাবালিকার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে দেয়।
নাবালিকার প্রেমিক ও তার বন্ধুদের খোঁজ শুরু করলে পালিয়ে যায় তারা। জানা গিয়েছে, ফইজ শেরি-সহ তার চার অভিযুক্ত বন্ধুর বিরুদ্ধে আইপিসি বিভাগের ৩৭৬-ডি, ৫০৬, ও ৬৭ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। মুখ্য অভিযুক্ত ফইজ শেরির বিরুদ্ধে আরও একটি ধারা ২৫৪সি যোগ করা হয়েছে কারণ সে নাবালিকার আপত্তিকর ভিডিও অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করে ও নাবালিকাকে যৌন হেনস্থাও করে।





