এই নিয়ে অষ্টম বার রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হল ভারত। পরবর্তী দু-বছরের জন্য ভারত রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য থাকবে।
নির্বাচনের ক্ষেত্রে মোট ১৯২টি বৈধ ভোটের মধ্যে ভারতের পক্ষে ১৮৪টি ভোট পড়েছে। অস্থায়ী সদস্যদের ২ বছরের মেয়াদে নির্বাচিত করা হয়। এই নিরাপত্তা পরিষদে মোট ১৫টি দেশ থাকে যার মধ্যে স্থায়ী সদস্যের সংখ্যা ৫। এই স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে রয়েছে আমেরিকা, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্র। বাকি দশটি আসনের জন্য অস্থায়ী সদস্য দেশগুলিকে নির্বাচিত করা হয়।
In a one-of-a-kind election amid #COVID19, #UNGA elects @IndiaUNNewYork, @MexOnu, @irishmissionun, & @NorwayUN as non-permanent members of the Security Council for 2-year terms.
A second round of voting will be held Thursday to fill the last vacant seat. https://t.co/svznemQth6 pic.twitter.com/HCzomD18Yb
— United Nations (@UN) June 17, 2020
এদিন এশীয়-প্যাসিফিক অঞ্চলের আসনটি একপ্রকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই জিতে নেয় ভারত। এই গোষ্ঠীর অন্তর্গত ৫৫টি দেশের থেকে ভারত প্রচুর সমর্থন পেয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ভারতের দুই অন্যতম প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান ও চীন। অন্য দেশগুলির থেকে ভারত যেভাবে সমর্থন পাচ্ছেন, তাতে অন্য কাউকে আর সমর্থন করার উপায় ছিল না এই দুই দেশের।
তবে, এশিয়া থেকে গণ-সমর্থন পেলেও জানা যাচ্ছে, অন্তত ৮টি দেশ ভারতকে ভোট দেয়নি। যদিও, তাতে ভারতকে নির্বাচনে জিততে কেউ আটকাতে পারেনি।
এর আগে, ভারত আরও সাতবার নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবের নির্বাচিত হয়েছে। সেগুলি ছিল– ১৯৫০-৫১, ১৯৬৭-৬৮, ১৯৭২-৭৩, ১৯৭৭-৭৮, ১৯৮৪-৮৫, ১৯৯১-৯১ ও ২০১১-১২।
ভারতের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড, মেক্সিকো, ও নরওয়েও এই নিরাপত্তা পরিষদের নির্বাচনে জয়ী হয়েছে।
এবারে নির্বাচনী প্রচারে, ভারত পাঁচটি বিষয়ের (পঞ্চ-শীল তত্ত্ব) ওপর গুরুত্ব দিয়েছিল। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই তত্ত্বগুলি হল — সম্মান, সংবাদ, সহযোগ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।
অন্যদিকে, নির্বাচনে ভারতের জয় নিশ্চিত জেনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। ভারত জিততে চলেছে বুঝে ভোটদানের আগেই পাকিস্তানের বলেছে, এই বিষয়টি আনন্দের নয়, উদ্বেগের। যদিও, পরিস্থিতির বেড়াজালে পাকিস্তানকে ভারতকেই সমর্থন করতে হয়েছে।





