আজ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এই দিনটিকে বাংলাদেশে মুজিববর্ষণ দিবস হিসেবে পালন করে। এদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে আজ, শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ দুদিনের সফরে বাংলাদেশ যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পূর্বনির্ধারিত সূচী অনুযায়ীই ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকেই অনুষ্ঠানে যোগ দেন মোদী।
এদিন সভায় ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের নতুন দিকের সূচনা করে মোদী। বলেন, “পরাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য আমিও লড়াই করেছি। মুক্তি যুদ্ধের জন্য সহযোগীদের সঙ্গে সত্যাগ্রহ করে জেলে গিয়েছিলাম। এই লড়াইয়ে কৃষক, জওয়ান, শিক্ষক ও চাকুরীজীবী সকলে একসঙ্গে মুক্তিবাহিনী গঠন করেছিলেন”। মোদী আরও বলেন, “এই সংগ্রামে ভারতীয় জওয়ানদের অনেক রক্ত ঝরেছে। মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ভারতীয় জওয়ানদের আমি শ্রদ্ধা জানাই। সেইসময় পাকিস্তানের সেনারা খুব অত্যাচার করেছিল। এই পরিস্থতির মোকাবিলা করেন বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান”।
আরও পড়ুন- মোদী সফরের বিরোধিতায় জুম্মার নমাজের পর বিক্ষোভ ঢাকায়, বেধড়ক মার পুলিশের
এদিনের সভার পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নিয়েও কথা বলেন মোদী। তাঁর কথায় ভারত ও বাংলাদেশ, দুই দেশই গণতন্ত্রে বলীয়ান। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। একে অপরকে সহযোগিতার মাধ্যমেই উন্নয়ন আসবে বলে মনে করে মোদী। এও বলেন যে ভারত করোনা বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বাংলাদেশকে সাহায্য করেছে। ভারতের টিকা পৌঁছেছে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, এও বলেন মোদী।
আরও পড়ুন- আজ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, ঢাকা সফরের আগে ‘বঙ্গবন্ধু’র স্মৃতিচারণা মোদীর
বলে রাখি, ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। আবার এ বছর শেখ মজিবুর রহমানের শতবর্ষ। এদিনের এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকমাস আগেই আমন্ত্রণ পত্র পাঠানো হয়েছিল নরেন্দ্র মোদীকে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি কেমন থাকে, এই কারণে আগে কিছু জানানো হয়নি। তবে সব দেখেশুনে পরবর্তীতে আমন্ত্রণ গ্রহণ করা হয়। এদিনের মোদীর সফরের জন্য গোটা দেশ জুড়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে হাসিনা প্রশাসন।





