তিনদিনের আমেরিকা সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ, বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন পৌঁছন তিনি। সেখানে Joint Base Andrews-এ আমেরিকায় অবস্থিত ভারতীয়রা মোদীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এদিন নিজের গাড়ি থেকে বেরিয়ে বিমানবন্দরে অপেক্ষারত ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
২০২০ সালে করোনা অতিমারির পর প্রতিবেশি দেশ ছাড়া এটাই মোদীর প্রথম বিদেশ সফর। ওয়াশিংটনে হালকা বৃষ্টি থাকলেও এরই মধ্যে বিমানবন্দরে মোদীর জন্য অপেক্ষারত ভারতীয়দের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতোই। ভারতের পতাকা হাতে তারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ছিল মোদীর নামে স্লোগান।
আমেরিকার ভারতীয়দের এমন উচ্ছ্বাসে স্বভাবতই বেশ আপ্লুত হন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তাঁকে গাড়ি থেকে নেমে তাদের সঙ্গে করমর্দন করতেও দেখা যায়। অপেক্ষারত ওই ভারতীয়দের মধ্যে একজনের মতে, মোদীর এই আমেরিকা সফর ভারত ও আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে। তিনি আরও জানান যে করোনা ও আফগান পরিস্থিতির পর মোদীই একমাত্র নেতা যিনি এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন।
Grateful to the Indian community in Washington DC for the warm welcome. Our diaspora is our strength. It is commendable how the Indian diaspora has distinguished itself across the world. pic.twitter.com/6cw2UR2uLH
— Narendra Modi (@narendramodi) September 22, 2021
আমেরিকায় অবস্থিত ভারতীয়রা মোদীর এই সফর নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত হলেও তাদের একাংশ কিন্তু আবার মোদীর এই সফর সম্পর্কে খুব একটা আশান্বিত নন। কলকাতার সাগ্নিক দাস বর্তমানে নিউ ইয়র্কে পিএইচডি করছেন। তিনি বলেন, “শেষবার যখন নরেন্দ্র মোদি আমেরিকায় এসেছিলেন তখন টেক্সাসে Howdy Modi নামে একটি বিশেষ স্বাগত উৎসব আয়োজন করে আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয়রা। সেই অনুষ্ঠানে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে একই সঙ্গে দেখা যায়। তারপর গঙ্গা এবং মিসিসিপি দিয়ে বহু জল বয়ে গেছে। আমেরিকা ট্রাম্পের হাত থেকে নিস্তার পেয়েছে এবং অর্থনৈতিকভাবে দেশকে পুনরুদ্ধারের রাস্তায় ফিরিয়ে এনেছে। কিন্তু ভারত এখনও অতিমারী এবং বিজেপির অদক্ষ শাসনের কারণে সৃষ্টি হওয়া অর্থনৈতিক মন্দায় কাঁপছে”।
এয়ারপোর্টে পৌঁছানোর পরে নরেন্দ্র মোদীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্টের সমস্ত আধিকারিকরা। এদের মধ্যে ছিলেন টি এইচ ব্রায়ান ম্যাকিওন, Joint Base Andrews-এর US Deputy Secretary of State for Management and Resources, আমেরিকায় ভারতের রাষ্ট্রদূত তরণজিৎ সিং সন্ধু, ব্রিগেডিয়ার অনুপ সিংহল, এয়ার কমোডোর অঞ্জন ভদ্র এবং নেভাল কমোডোর নির্ভয়া বাপনা।





