কেন‌ও ‘নীরব’ মোদী? কোথায় পালালেন? ‘ভয় পাবেন না’, সীমান্ত সংঘর্ষ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ বিরোধীদের!

বিজেপির অস্ত্রেই বিজেপিকে ঘায়েল করতে নেমেছে বিরোধীরা। সীমান্ত সংঘর্ষ ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর অদ্ভুত নীরবতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী সহ সমস্ত বিরোধী দলগুলিই।

একটা সময় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নীরবতা পালনের অভিযোগ তুলে সরব হতেন নরেন্দ্র মোদী। আর আজ প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসে তিনিই ‘চুপ’! কটাক্ষ রাহুলের।

https://twitter.com/RahulGandhi/status/1273094280307867648?s=20

গত মাসে পূর্ব লাদাখে সীমান্ত উত্তেজনা বৃদ্ধির শুরু থেকেই মোদীর কাছে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর চেয়েছে কংগ্রেস। কখনও সেই উত্তর দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কখনও আবার লাদাখের সাংসদ জেমিয়াং শেরিং নামগেল রাহুলকে ইতিহাসের পাঠ পড়িয়েছেন। তবে মোদী নিজে কোনও শব্দ খরচ করেননি। এমনকী গালওয়ানে ভারত এবং চীন সেনা সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ানের মৃত্যুর পরেও সরকারের তিন শীর্ষ মন্ত্রী কোনও মন্তব্য করেননি। তা নিয়ে বুধবার মোদীকে তীব্র কটাক্ষ করেন রাহুল। কিন্তু রাহুলের কটাক্ষের কয়েক ঘণ্টা পরেই শহীদ জওয়ানদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানিয়ে টুইট করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

সকালের একটি টুইটবার্তায় রাহুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নীরব কেন? তিনি কী লুকোচ্ছেন? যথেষ্ট হয়েছে। আমরা জানতে চাই কী হয়েছে। আমাদের সেনা জওয়ানদের হত্যার সাহস কীভাবে পায় চীন? আমাদের ভূখণ্ড দখল করার সাহস হয় কীভাবে?’

তার আড়াই ঘণ্টা পরে নিজের সুর আর‌ও একটু চড়ান কংগ্রেস সাংসদ। ২৭ সেকেন্ডের সেই ভিডিয়োয় তিনি বলেন, ‘দু’দিন আগে ভারতের ২০ জন বীর সেনা জওয়ান শহিদ হয়েছেন। পরিবারদের থেকে ওঁদের ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। চীন আমাদের জমি ছিনিয়ে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আপনি চুপ কেন আছেন? আপনি কোথায় লুকিয়ে গিয়েছেন? আপনি বাইরে আসুন। পুরো দেশ, আমরা সবাই আপনার সঙ্গে আছি। একসঙ্গে আপনার সঙ্গে আছে দেশ। বাইরে আসুন। দেশকে সত্যি কথাটা বলুন। ভয় পাবেন না।’

https://twitter.com/RahulGandhi/status/1273128695994220544?s=20

শুধু রাহুল নন, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, পি চিদম্বরম সহ পুরো কংগ্রেস নেতৃত্বই মোদীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন।

কংগ্রেসের পাশাপাশি অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। আর সেই পরিস্থিতিতে খানিকটা বাধ্য হয়ে আগামী ১৯ জুন বিকেল পাঁচটায় মোদী ভার্চুয়াল জনসভায় সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক দিয়েছেন বলে অভিমত রাজনৈতিক মহলের।

আরও অন্যান্য খবর