এমনও হয়? পড়াশোনা করতে অনেকেরই ভালো লাগে না। তাই পড়াশোনায় ফাঁকি দেওয়ার জন্য নানান উপায় খুঁজতে থাকে নানান পড়ুয়া। কিন্তু পড়াশোনা না করার জন্য কাউকে খুন করে জেলে যাওয়া, এমন ঘটনা একেবারেই বিরল। এমনই ঘটনা ঘটল সম্প্রতি।
পড়াশোনা ও স্কুলে যাওয়ার হাত থেকে মুক্তি পেতে অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রকে গলা টিপে খুন করল এক দশম শ্রেণীর ছাত্র। ঘটনাটি ঘটেছে গাজিয়াবাদের মাসুরি থানার অন্তর্গত নানকাগড়ি গ্রামে। এই ঘটনার পর ওই দশম শ্রেণীর পড়ুয়া গার্ডেন এনক্লেভ পুলিশ থানায় গিয়ে নিজের দোষ স্বীকার করে নেয়।
সূত্রের খবর, সে পুলিশকে অনুরোধ করে যাতে তাকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়। আর এর জন্য পুলিশের কাছে কাকুতি-মিনতি করতে থাকে ওই কিশোর। পুলিশ প্রথমে ওই ছাত্রের কথা বিশ্বাস করেনি। তবে পরবর্তীতে ওই পড়ুয়ার কথামতো জায়গায় গিয়ে অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়া নীরজ কুমারের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় দশম শ্রেণীর ওই ছাত্র জানায় যে তার ও নীরজের বাড়ি একই জায়গায়। তারা একসঙ্গে খেলাধুলো করত। অভিযুক্ত পড়ুয়া পড়াশোনায় দুর্বল ছিল বলে জানায়। আর এর জন্য তাকে তাঁর পরিবারের তরফে বকাঝকা করা হত ও পড়াশোনার জন্য চাপ দেওয়া হত।
অভিযুক্ত ছাত্র জানায় যে সে শুনেছিল জেলে থাকলে পড়াশোনা করতে হয় না। আর সেই কারণেই সে জেলে যাওয়ার উপায় ভাবতে থাকে। আর জেলে যাওয়ার জন্যই সে নীরজকে খুন করার পরিকল্পনা করে।
অভিযুক্ত ছাত্র পুলিশকে জানায়, নীরজকে খুন করার জন্য সে প্রতিদিন তাকে নিয়ে বেরত। দিল্লি-মেরঠ এক্সপ্রেসওয়ের নীচে নীরজকে খুন করার ছক কষে সে। গতকাল, সোমবার বিকেলে সে নীরজকে ওই জায়গায় নিয়ে যায় ও সাড়ে ৫টা নাগাদ নীরজের গলা টিপে শ্বাসরোধ করে সে খুন করে নীরজকে। এরপর কাচের বোতল দিয়ে গলা কেটে দেয় তার। এরপরই সে নিজেই পুলিশের কাছে গিয়ে সবটা স্বীকার করে। ওই অভিযুক্তকে শিশু সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।






