২০১৬ সালে নোটবন্দীর সময়ের পর থেকেই ২০০০ টাকার নোট নিয়ে অনেক জল্পনা কল্পনা হতে থাকে। এখনও অবধি চর্চায় রয়েছে এই ২০০০ টাকার নোট। কানাঘুষো অনেক কথাই শোনা যাচ্ছে কিন্তু তার মধ্যে কোনটা সত্যি আর কোনটা ভুল, তা নিয়ে ধন্ধে পড়েছে আমজনতা। এবার এই ২০০০ টাকার নোট নিয়েই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক।
জনসাধারণের ধোঁয়াশা কাটাতেই শনিবার সংসদে অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ সিং ঠাকুর জানান যে যেকোনও মুল্যের নোট নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কেন্দ্র সরকার প্রথমেই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সঙ্গে আলোচনা করে। সেই নোট নিয়ে কোনওরকম সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আলোচনার মাধ্যমে দেখা হয় যে সেটা সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে। কোনও নোট বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও টা খতিয়ে দেখা হয় যে বাজারে পর্যাপ্ত নগদ থাকবে কি না।
অর্থমন্ত্রকের কথা অনুযায়ী ২০১৯-২০২০ এবং ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে টাঁকশালে ২০০০ টাকার নোট পাঠানোর জন্য সরকার কোনও চাহিদাপত্র পাঠায়নি। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সরকার ২০০০ টাকার নোট বাতিল বা বন্ধের কথা ভাবছে।
অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী তার বিবৃতি পেশ করেন যার থেকে জানা যায় যে চলতি বছরের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত হিসেব অনুযায়ী, বাজারে এখনও অবধি মোট ২৭,৩৯৮ টি ২০০০ টাকার নোট রয়েছে, ২০১৯ সালে যার সংখ্যা ছিল ৩২,৯১০। কিন্তু তিনি এও নিশ্চিত করেছেন যে সরকার এখনও কোনও নোটই ছাপানো বন্ধের নির্দেশ দেন নি।
প্রসঙ্গত, ২৩শে মার্চ থেকে ৩ই মে পর্যন্ত করোনা মহামারীর জেরে লকডাউনের জন্য টাঁকশাল বন্ধ ছিল। ফলতঃ সেই সময় বন্ধ ছিল টাকা ছাপানোর কাজও। এর জেরেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে বলে দাবী অনুরাগ সিং ঠাকুরের।





