‘মুসলিমরাই ভারতে সবথেকে বেশি ক’ন্ডো’ম ব্যবহার করে’, মোহন ভাগবতের বক্তব্যের পাল্টা দাবী করে তোপ দাগলেন ওয়েইসি

সম্প্রতি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একটি মন্তব্য করেছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার ভারসাম্যের কথা উল্লেখ করেছিলেন তিনি সেই সময়। এবার আজ, রবিবার আরএসএস প্রধানের ওই বক্তব্যের পাল্টা দিলেন এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। তিনি দাবী করেন যে ভারতে মুসলিমরাই সবথেকে বেশি ক’ন্ডো’ম ব্যবহার করে।

সম্প্রতি দশেরার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মোহন ভাগবত বলেন, “জনসংখ্যার ভারসাম্যহীনতা ভৌগলিক সীমানা পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যায়। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার ভারসাম্য এমন এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যাকে আর উপেক্ষা করা যাবে না। আর সেই কারণেই একটি সামগ্রিক জনসংখ্যা নীতি আনা উচিত। এবং সকলের জন্যই এটা সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত”।

তাঁর এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর কথায়, ভারতে মুসলিমদের জন্মহার কমছে। তিনি বলেন, “আতঙ্কিত হবেন না। কারা সবচেয়ে বেশি ক’ন্ডো’ম ব্যবহার করেন? আমরা। ভারতে মুসলিমদের জন্মহার বৃদ্ধি পাচ্ছে না। বরং কমছে”।

ওয়েইসির দাবী, একথা জানলেও ভাগবত এই বিষয়ে মুখ খুলবেন না। তিনি এও দাবী করেন যে এই বিষয়ে মজলিস এ ইত্তেহাদ মুসলিমিনের প্রধানের কাছে তথ্যও রয়েছে। তাঁর কথায়, “আমি আপনার সামনে তথ্য পেশ করছি। কেন্দ্রের তথ্যই বলছে মুসলিমদের জন্মহার ২ শতাংশ কমে গিয়েছে”।

https://twitter.com/ANI/status/1578888201560678400?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1578888201560678400%7Ctwgr%5E439234016733fb7ef5c19616ce2fbf0c00f4f68e%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.sangbadpratidin.in%2Findia%2Fasaduddin-owaisi-counters-rss-chief-mohan-bhagwats-remarks-on-religious-imbalance%2F

শুধু তাই-ই নয়, এর পাশপাশি বিজেপিকেও আক্রমণ শানিয়ে ওয়েইসি বলেন, “বিজেপি এবং আরএসএস সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, তারা দেশের জনগণকে খাবারের ব্যবস্থা না করে মুসলিমদের উপর হামলা করবে”। গুজরাটে গরবা উৎসবে পাথর ছোঁড়ার অভিযোগে মুসলিম যুবকদের লাইটপোস্টে বেঁধে মারধর করার প্রতিবাদ জানান ওয়েইসি।

এই বিষয়ে তিনি  বলেন, “বিজেপি শাসিত ভারতে নেড়ি কুকুরও সম্মান পায়, মুসলিমরা পায় না”। এআইএমআইএম নেতার কথায়, “বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে মুসলিম নাগরিকরা যেন জেলবন্দি। একের পর এক মাদ্রাসা ভেঙে ফেলা হচ্ছে”।

RELATED Articles