অসমে বন্ধ হতে চলেছে ৬১৪টি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসা। তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে স্কুল বা হাইস্কুলে রূপান্তরিত করা হবে বলে জানিয়েছে অসম সরকার। অসমের অর্থ ও শিক্ষামন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মার বলেন, ‘বেশ কিছুদিন আগেই সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে মানুষের টাকা কোনও ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যয় করা যাবে না। সেই অনুযায়ী এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোনও ধর্মীয় বই পড়ানো বা আরবি ভাষা শেখানো সরকারের কাজ নয়। এটি একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র সেখানে কোন ধার্মিক শিক্ষাতেই সরকারি অনুদান করা সম্ভব নয়।’
আরও পড়ুন – দুই সন্তানের বেশি জন্ম দিলে শাস্তি, বিল পেশ রাজ্যসভায়। নতুন আইনের অপেক্ষায় দেশ।
সরকারি হিসেব বলছে, বছরে তিন থেকে চার কোটি টাকা অসমের মাদ্রাসাগুলির জন্য বরাদ্দ করে সরকার। মাদ্রাসা বন্ধ হলে ছাত্ররা না হয় স্কুলে পড়তে যাবে কিন্তু শিক্ষকরা যাবেন কোথায়? এখন এই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে মাদ্রাসা শিক্ষকদের মধ্যে। যদিও তাঁদের আশ্বস্ত করে রাজ্যের মন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘শিক্ষকদের চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। যতদিন তাঁদের চাকরির মেয়াদ রয়েছে, ততদিন বাড়িতে বসেই তাঁরা সেই বেতন পাবেন।’
আরও পড়ুন – আজই চালু হতে চলেছে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত নন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী
এদিকে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন জামায়াত উলেমার আইন সেলের কনভেনার মাসুদ আখতার জামান। তিনি বলেছেন, ‘সরকারের এই নির্দেশের ফলে বেসরকারি মাদ্রাসাগুলিতে কোনও প্রভাব পড়বে না এবং আমাদের মাদ্রাসাগুলি সরকারের অর্থেরও প্রত্যাশা করে না।’





