গত সোমবার অর্থাৎ ২৭শে ফেব্রুয়ারি উত্তর-পূর্বের রাজ্য ত্রিপুরায় ছিল বিধানসভা নির্বাচন। ৮১ শতাংশ ভোট পড়েছিল সে রাজ্যে। ৬০ আসনের সেই রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল ছিল আজ, বৃহস্পতিবার। বুথ ফেরত সমীক্ষা জানান দিচ্ছিল যে ত্রিপুরায় ফের ক্ষমতা গড়বে বিজেপিই। হলও তাই, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ত্রিপুরায় জয়ী গেরুয়া শিবির।
বৃহস্পতিবার ফলপ্রকাশের পরও দেখা গেল অনেকটাই মিলে গেল বুথ ফেরত সমীক্ষা। ত্রিপুরার ৬০ টি আসনের মধ্যে ৩৩টিতেই জয়ী বিজেপি। ফের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন ডাঃ মানিক সাহা। বাম-কংগ্রেস জোটের ঝুলিতে এসেছে ১৪টি আসন ও ১৩টি আসনে জয় পেয়েছে তিপ্রা মথা। লড়াইয়ে ভালোই বেগ দিয়েছে ত্রিপুরার রাজকুমারের দল। তবে এই রাজ্যে একটিও আসন জুটল না তৃণমূলের ভাগ্যে। এমনকি নোটার চেয়েও কম ভোট পড়েছে ঘাসফুল শিবিরে। ০.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে তৃণমূল ত্রিপুরাতে, এমনটাই খবর।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মত, ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় যে ফলাফল দেখা গিয়েছিল, তারই প্রতিফলন ঘটল ত্রিপুরায়। সেবার বঙ্গে বাম-কংগ্রেস হাত ধরাধরি করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছিল। বাংলার ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়েছিল। কিন্তু লাভ হয়নি কিছুই। বড়সড় ব্যবধানে জিতেই দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল।
তৃণমূলের এমন হাত নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ে নি বঙ্গ বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি টুইটে লেখেন, “ত্রিপুরায় নোটার থেকেও কম ভোট পাওয়ার জন্য তৃণমূলকে নৈতিক জয়ের শুভেচ্ছা। মনে হচ্ছে প্রার্থীরা নিজেরাও তৃণমূলকে ভোট দেয়নি। সমবেদনা জানাতে একটি ফুটবল ও হুইল চেয়ার দিতে হবে”।
এখানেই থেমে থাকেন নি তিনি। অনুব্রতর দিল্লিতে যাওয়া নিয়ে ফের তৃণমূলকে তোপ দেগে লেখেন, “কী দুষ্টু। ত্রিপুরাও পেলো না, মেঘালয় গেলো। এবার বীরভূমের বীর অনু আজকে দিল্লি চলে যাচ্ছে। তিহার জেলে ইডির সঙ্গে জল খাবে”।






