দেশ

অক্সিজেনের ঘাটতি যাতে কোনওভাবেই না হয়, করোনা মোকাবিলায় রাজ্যগুলিকে কড়া নির্দেশিকা দিল কেন্দ্র

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭ চরম রূপ ধারণ করেছে চীনে। এদেশেও কয়েকজনের শরীরে সেই নতুন রূপের সন্ধান মিলেছে। এমন আবহে করোনা মোকাবিলায় রাজ্যগুলিকে কড়া নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। বেশ কয়েকটি দেশ থেকে আসা যাত্রীদের করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট, অক্সিজেন ভাণ্ডারের দিকে নজর দেওয়া-সহ একাধিক নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে রাজ্যগুলিকে।

সম্প্রতি চীনে করোনা ‘বিস্ফোরণ’ ঘটছে। শীতের শুরুতেই অতিমারির প্রকোপ দেখা দিয়েছে আরও কয়েকটি দেশে। এমন আবহে গতকাল, শুক্রবারই সব রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৈঠক করেন। এরপর আজ, শনিবার ওই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।

 রাজ্যগুলিকে পাঠানো ওই নির্দেশিকায় করোনা নিয়ে মূলত ৬টি সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে রাজ্যগুলিকে। ওই নির্দেশিকায় কী বলা হয়েছে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক-

  • চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং, থাইল্যান্ড থেকে ভারতে আসা সমস্ত যাত্রীর কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট থাকা আবশ্যক।
  • ওইসব দেশ থেকে আসার পর যাত্রীদের কোনও উপসর্গ দেখা দেয় বা কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট আসে, তাহলে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।
  • এ দেশে যদিও কোভিডের গ্রাফ এখনও নিম্নমুখী, তবু ভবিষ্যতের কথা ভেবে প্রস্তুত থাকতে হবে সব রাজ্যকে। সবরকম মেডিক্যাল পরিকাঠামো তৈরি রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
  • গত বছর কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বড়সড় ঘাটতি দেখা গিয়েছিল অক্সিজেনের। এবার যেন তা না হয়। অক্সিজেনের জোগান নিরবচ্ছিন্ন রাখতে অক্সিজেন প্ল্যান্টগুলিকে সক্রিয় রাখতে হবে। নিয়মিত মক ড্রিল চালিয়েও তাদের পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
  • তরল অক্সিজেন অর্থাৎ সিলিন্ডারবন্দি অক্সিজেনের জোগানও অব্যাহত রাখতে হবে। সিলিন্ডারগুলির রিফিলিং কীভাবে হবে, তা নিশ্চিত করে রাখতে হবে আগে থেকে।

দেশে এখন করোনা সংক্রমণ কম থাকলেও পরবর্তীতে যে তা বাড়তে থাকবে না, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। সেই কারণে যে কোনও পরিস্থিতিতে যাতে মোকাবিলা করা যায়, তাই স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে।

Back to top button
%d bloggers like this: